ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর জানুয়ারী ২০০৯ হতে সেপ্টেম্বর ২০১১ পর্যন্ত ৩৩ মাসের অগ্রগতি সম্পর্কিত ক্রোড়পত্র প্রকাশের জন্য তথ্যাবলীঃ
ইসলামের প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ২২ মার্চ এক অধ্যাদেশবলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৫ সালের ২৮ মার্চ ইসলামিক ফাউন্ডেশন এ্যাক্ট প্রণীত হয় এবং উক্ত এ্যাক্ট পরবর্তীকালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত হয়। এ্যাক্টের ৩-এর (২) ধারা মতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন একটি কর্পেরেট সংস্থা। এ্যাক্টে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিম্নোক্তরূপে বিধৃত হয়েছে।
- মসজিদ ও ইসলামী কেন্দ্র, একাডেমী ও ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা ;
- মসজিদ ও ইসলামী কেন্দ্র, একাডেমী ও ইনস্টিটিউট এবং সমাজসেবায় নিবেদিত সংগঠনসমূহকে আর্থিক সহায়তা দেয়া ;
- সংস্কৃতি, চিন্তা, বিজ্ঞান ও সভ্যতার ক্ষেত্রে ইসলামের অবদানের উপর গবেষণা পরিচালনা ;
- ইসলামের মৌলিক আদর্শ ভিশ্বভ্রাতৃত্ববোধ, পরমতসহিষ্ণুতা, ন্যায়বিচার প্রভৃতি প্রচার করা ও প্রচারের কাজে সহায়তা করা এবং সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে ইসলামী মূল্যবোধ ও নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের সুপারিশ করা ;
- ইসলামী মূল্যবোধ ও নীতিমালা জনপ্রিয় করে তোলার লক্ষ্যে ইসলামের ইতিহাস, দর্শন, সংস্কৃতি, আইন ও বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কিত গবেষণার আয়োজন করা ও তার প্রসার ঘটানো এবং জনপ্রিয় ইসলামী সাহিত্য সূলভে প্রকাশ করা এবং সেগুলোর সুলভ প্রকাশনা ও বিলিবণ্টনকে উৎসাহিত করা ;
- ইসলাম ও ইসলামের বিষয় সম্পর্কিত বই-পুস্তক, সাময়িকী ও প্রচার পুস্তিকা অনুবাদ করা, সংকলন করা ও প্রকাশ করা ;
- ইসলামের ইতিহাস, দর্শন, সংস্কৃতি, আইন ও বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কিত বিষয়াদির উপর সম্মেলন, বক্তৃতামালা, বিতর্ক ও সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা ;
- ইসলাম বিষয়ক গবেষণার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য পুরস্কার ও পদক প্রবর্তন করা ;
- ইসলাম সম্পর্কিত প্রকল্পের উদ্যোগ নেয়া, প্রকল্প গ্রহণ করা কিংবা তাতে সহায়তা করা ;
- ইসলাম বিষয়ক গবেষণার জন্য বৃত্তি প্রদান করা ;
- বায়তুল মুকাররম মসজিদের ব্যবস্থাপনা ও উন্নতি বিধান করা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে যথাযথভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে দিক-নির্দেশনা প্রদান ও তত্ত্বাবধানের জন্য ১৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি বোর্ড অব গভর্নরস রয়েছে। উক্ত বোর্ডে ১. ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়-চেয়ারম্যান; ২. ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মহোদয়-ভাইস-চেয়ারম্যান ; ৩.ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক-সদস্য সচিব; ৪. সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়; ৫. চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন; ৬. ভাইস-চ্যান্সেলর, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ;৭. চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড; ৮-১০. ফাউন্ডেশনের সদস্যদের মধ্য হতে সদস্যবৃন্দ কর্তৃক নির্বাচিত ৩ ব্যক্তি; ১১-১৫. বাংলাদেশের প্রখ্যাত মুসলিম পন্ডিত ও ধর্মীয় তাত্ত্বিকদের মধ্য হতে সরকার কর্তৃক মনোনীত ৫ ব্যক্তি; ১৬-১৭. সরকার কর্তৃক মনোনীত ২জন সংসদ সদস্য ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ব প্রতিষ্ঠান যার কাজ হলো ইসলামী মূল্যবোধের প্রচার ও প্রসার। এ কারণে এটি রাষ্ট্রের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে ভিন্নতর। তাই রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সরকারী উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে মাননীয় সংসদ সদস্যগণকে অন্তর্ভুক্ত করে গঠিত বোর্ড এর সিদ্ধান্তের আলোকে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত হচ্ছে। মহাপরিচালককে বোর্ডের সচিব নিযুক্ত করে বোর্ডের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। মূলতঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন বোর্ড অব গভর্নরস কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর এ পর্যন্ত ১৭৮টি বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অর্থের উৎস
ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর ১২ নম্বর ধারায় তহবিল সম্পর্কে বলা হয়েছে যে,
(১) ফাউন্ডেশনের একটি তহবিল থাকিবে এবং সেই তহবিলে জমা হইবে-(ক) ২০নং অনুচ্ছেদের অধীনে ফাউন্ডেশনের কাছে হস্তান্তরিত বায়তুল মোকাররম ও ইসলামী একাডেমীর তহবিলের অর্থ ; (খ) সরকারের অনুদান ও ঋণ ; (গ) বাংলাদেশে সংগৃহীত ঋণ ; (ঘ) সরকারের পূর্ব অনুমোদনক্রমে বিদেশী রাষ্ট্র ও সংস্থার কাছ হইতে প্রাপ্ত সাহায্য ও ঋণ ; (ঙ) চঁাদা ও দান ; (চ) বিনিয়োগ, রয়্যালটি ও সম্পত্তি হইতে প্রাপ্ত আয় ; এবং (ছ) ফাউন্ডেশনের অন্য আর সকল প্রাপ্তি।
জনবল
প্রতিষ্ঠাকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর জনবল ছিল মাত্র ৩৫ জন । বর্তমানে রাজস্ব ও উন্নয়ন উভয় খাতে স্কেলভূক্ত ও সম্মানীর ভিত্তিতে প্রায় ৪০ হাজার জনবল কর্মরত রয়েছে যাদের বেতন ও সম্মানী সরকারী কোষাগার থেকে পরিশোধ করা হয়ে থাকে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আওতায় ১৪টি বিভাগ, ১টি প্রেস এবং ৬৪টি জেলা কার্যালয়, ৩৩টি ইসলামিক মিশন, ৭টি ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী রয়েছে। রাজস্ব খাতে ১৪৬৭ এবং উন্নয়ন খাতে ৬৮১ জনসহ বর্তমানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনে বিদ্যমান জনবল সর্বমোট ২১৪৮ জন। রাজস্বখাতে ১৯৪টি শূন্য পদের মধ্যে ৮২টি পদ সরাসরি নিয়েগের মাধ্যমে পূরণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ৭৯ টি পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পুরনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অফিস স্থাপনের লক্ষ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরীর ২৯২৮টি পদ সৃজনে সম্মতি প্রদান করেছে। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ছাড়া, প্রকাশনা বিভাগের জন্য ৫টি পদ এবং দ্বীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের জন্য ১টিসহ মোট ৬টি পদ সৃজনেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক সম্মতি প্রদান করা হয়েছে। এ পদগুলো সৃজনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
:বিভিন্ন বিভাগের কার্যক্রম :
প্রশাসন বিভাগ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর যাবতীয় প্রশাসনিক ও সংস্থাপন কাজ, বায়তুল মুকাররম মসজিদ ও মার্কেট পরিচালনা, বোর্ড অব গভর্নরসসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সুপারিশ ও সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়ন এ বিভাগের কাজের আওতাভুক্ত। সচিব এ বিভাগের প্রধান। সরকার কর্তৃক প্রেষণে নিয়োজিত উপ-সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন একজন কর্মকর্তা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সমন্বয় বিভাগ
সমন্বয় বিভাগ ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। সমন্বয় বিভাগের মাধ্যমে ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়সহ মাঠ পর্যায়ের, বিশেষ করে বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহের সকল কার্যক্রম বাস্তবায়ন, তত্ত্বাবধান, সমন্বয় সাধন ও পর্যালোচনা করা হয়। তাছাড়া, এ বিভাগের অন্যান্য প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম এবং দায়িত্বসমূহ নিম্নরূপ :
বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ের কর্মসুচির বাস্তব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং তদনুযায়ী বাজেট প্রস্তাব প্রণয়নপূর্বক তাতে অর্থ ও হিসাব বিভাগের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা ; বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ে অর্থ বিভাগ কর্তৃক বাজেট প্রেণের মনিটরিং করা ; বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের দৈনন্দিন উপস্থিতি নিশ্চিত করা ; বিভাগীয় ও জেলা কর্মকর্তাদের ছুটি/কর্মস্থল ত্যাগের বিষয় তদারকি করা ; ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, অন্যান্য মন্ত্রণালয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক নির্দেশিত সকল কার্যক্রম বাস্তবায়নেও তথ্যাদি সংগ্রহের ব্যবস্থা করা ; জেলা কর্মকর্তাদের বাৎসরিক গোপনীয় প্রতিবেদন (এসিআর) প্রদান করা ; গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস প্রতিরোধ এবং প্রতিকার সংক্রান্ত বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ের কার্যক্রম মনিটরিং করা; জাতীয় ও ধর্মীয় দিবসমূহ পালনসহ বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ে বাস্তবায়ন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী কার্যক্রম যথাযথ বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা তা সুপারভিশন ও মনিটরিং করা; কেন্দ্রীয় সমন্বয় সভা এবং মাসিক সমন্বয় সভা আহবান ও বাস্তবায়ন করা; বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত প্রশাসনিক ও আর্থিক সমস্যাসমূহ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ক্ষেত্র বিশেষে প্রশাসন বিভাগ এবং অর্থ ও হিসাব বিভাগে নথি অগ্রায়ন করা; বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলীজনিত প্রাপ্ত বিলসমূহ এবং অফিসের বাড়িভাড়া বৃদ্ধি, চুক্তি নবায়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রবিশেষে প্রশাসন বিভাগ এবং অর্থ ও হিসাব বিভাগে অগ্রায়ন করা; বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ থেকে চঁাদ দেখার সংবাদ প্রেরণের নিমিত্ত পত্র যোগাযোগ/প্রেরণ করা; জাতীয় পর্যায়ে শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতা বাস্তবায়ন করা, জেলা কার্যালয়ের জন্য ভবন নির্মাণ/জমিক্রয়/এতদসংক্রান্ত মামলা-মোকদ্দমা তদারকী করা।
তাছাড়া খুলনায় ১টি, রাজশাহীতে ১টি, চট্টগ্রামে ১টি, কুষ্টিয়ায় ১টি এবং ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অধীন ৪টিসহ মোট ৮টি হোমিও দাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্র পরিচালনা করা ; হজ্জযাত্রী সংগ্রহ, যাকাত সংগ্রহ, মউশিক কার্যক্রম,মসজিদ পাঠাগার স্থাপন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত পুস্তক বিক্রয় ও কার্যক্রম মনিটরিং করা, যৌতুক প্রতিরোধ, শিশু ও নারী পাচাররোধ, জাতীয় টিকা দিবস, পরিবেশ ও বনায়ন, এইডস ও মাদকবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের মাধ্যমে স্বাস্থ্য বিষয়ে মুসলীগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করাসহ সময়ে সময়ে সরকার নির্দেশিত যাবতীয় কাজ সম্পাদন করা; ভ্রাম্যমান কোরআন পড়তে শেখানো কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা, পবিত্র রমযান মাসে (১লা রমযান থেকে ৩০ রমযান পর্যন্ত) তাফসীর মাহফিল করা; ১৫ আগস্ট জাতির জনকের শাহাদাত দিবসে উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে কুরআনখানি ও দোয়ার আয়োজন; পবিত্র মাহে রমযানের পবিত্রতা রক্ষা ও জাতীয় সমস্যা সমাধানে গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র্যালী (চলমান বিষয়ভিত্তিক); ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস জাতির জনকের জন্ম দিন উপলক্ষে দেশব্যাপী হেফজ প্রতিযোগিতা, রচনা প্রতিযোগিতা, কুইজ প্রতিযোগিতা, জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান; ২১ আগস্ট গ্রেডেন হামলায় শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় কুরআনখানি ও আলোচনা সভা, সামাজিক ইস্যু, জাতীয় সমস্যা সমাধানে ইমাম, ওলামা মাশায়েখগণের মাধ্যমে দেশব্যাপী গণসচেতনতা সৃষ্টি বিষয়ক সভা-সমাবেশ ও মহাসমাবেশের আয়োজন; তাৎক্ষণিকভাবে মহাপরিচালক মহোদয় কর্তৃক নির্দেশিত যাবতীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা। পরিচালক, সমন্বয় এই বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৯-২০১০ ও ২০১০-২০১১ অর্থ বছরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সমন্বয় বিভাগের কাজের অগ্রগতি নিম্নরুপঃ
ক্রমিক |
কাজের বিবরণ |
২০০৯-২০১০ |
২০১০-২০১১ |
||
|
|
কাজের অগ্রগতি (বাস্তবায়ন ) |
অগ্রগতির হার (%) |
কাজের অগ্রগতি (বাস্তবায়ন ) |
অগ্রগতির হার (%) |
০১. |
জাতীয় ও ইসলামী গুরুত্বপুর্ণ দিবস উদযাপনঃ শবে মেরাজ, পবিত্র শবে বরাত, শবে কদর, আশুরা, হজ্জ ও ওমরা, বাংলা নববর্ষ, স্বাধীনতা দিবস, ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন উপলক্ষ্যে সেমিনার, আলোচনা সভা ইত্যাদি মোট ১৩ টি অনুষ্ঠান প্রতি জেলায় বাস্তবায়ন করা হয়ে থাকে। |
৮৩২ টি |
১০০% |
৮৩২ টি |
১০০% |
০২. |
মহিলা অনুষ্ঠান |
১৯২ টি |
১০০% |
১৯২ টি |
১০০% |
০৩. |
রমজানের তাফসীর মাহফিল |
১০২৪ টি |
১০০% |
১০২৪ টি |
১০০% |
০৪. |
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক অনুষ্ঠান |
৮৯৬ টি |
১০০% |
৮৯৬ টি |
১০০% |
০৫. |
(ক) জাতীয় শিশু -কিশোর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা (উপজেলা পর্যায়ে) প্রতিটি জেলায় কম-বেশী ৭টি করে |
৪৮৯ টি
৬৪ টি
৬ টি |
১০০%
১০০%
১০০% |
৪৮৯ টি
৬৪ টি
৬ টি |
১০০%
১০০%
১০০% |
০৬. |
জাতির জনকের জন্ম ও মৃত্যু দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, ক্বিরাত, হিফজ প্রতিযোগিতা, শিশু - কিশোর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, রচনা লিখন ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন |
১৬৬৪ টি |
১০০% |
১৬৬৪ টি |
১০০% |
০৮. |
জেলা/বিভাগীয় পর্যায়ে চঁাদ দেখা মিটিং |
৭৬৮ টি |
১০০% |
৭৬৮ টি |
১০০% |
০৯. |
(ক) জাতীয় শিশু -কিশোর প্রতিযোগিতা (কেন্দ্রীয়ভাবে) |
-- |
-- |
৩ টি |
১০০% |
১০. |
(ক) যৌতুকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনঃ প্রতি জেলায় সকল মসজিদের ইমাম , গণশিক্ষা শিক্ষকদের মাধ্যমে যৌতুকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনে জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে প্রতি জেলায় সেমিনার , আলোচনা সভার আয়োজন, |
৬৪ টি
৩০৭২ টি
১৫৩৬ টি |
১০০%
১০০%
১০০% |
৬৪ টি
৩০৭২ টি
১৫৩৬ টি |
১০০%
১০০%
১০০% |
১১ |
মানব সম্পদ উন্নয়নে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্তকরণঃ প্রতি জেলায় সকল মসজিদের ইমাম ও গণশিক্ষার শিক্ষকদের সমন্বয়ে মানব সম্পদ উন্নয়নে জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে প্রতি জেলায় সেমিনার/আলোচনা সভা বাস্তবায়ন করা হয় |
১৯২টি |
১০০% |
১৯২টি |
১০০% |
(জ) জাতীয় শিশু-কিশোর সাং&স্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণঃ
জাতীয় শিশু-কিশোর সাং&স্কৃতিক প্রতিযোগিতা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের একটি উলেখযোগ্য কার্যক্রম, এ প্রতিযোগিতা উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু করে জেলা, বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। প্রতিযোগিতা ৩টি গ্রুপে ৭টি বিষয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিশু-কিশোরদের মাঝে জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার প্রদান করে থাকেন বিধায় এ পুরস্কারটি সারা দেশে শিশু-কিশোরদের মাঝে একটি মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত। ২০০৭,২০০৮ ও ২০০৯ সালে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হলেও জাতীয় পর্যায়ে উক্ত ৩ বছরের প্রতিযোগিতা ২০১০ সালে অনুষ্ঠিত হয় এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
ক্রমিক নং |
বিষয় |
পুরস্কারের সংখ্যা (৩টি গ্রুপে) ৩X৩=৯ , ৩ বছরের ২৭টি পুরস্কার ) |
জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন |
১ |
২ |
৩ |
৪ |
১. |
ক্বিরাত প্রতিযোগিতা |
৩৬টি |
৩X৩=৯টি, প্রতি গ্রুপে ১ জন করে |
২. |
কবিতা আবৃত্তি |
৩৬টি |
|
৩. |
উপস্থিত বক্ততা |
৩৬টি |
|
৪. |
ইসলামী গান |
৩৬টি |
|
৫. |
রচনা প্রতিযোগিতা |
৩৬টি |
|
৬. |
ইসলামী জ্ঞান |
৩৬টি |
|
৭. |
আযান (শুধুমাত্র ছাত্র গ্রুপ) |
২৪টি |
|
অর্থ ও হিসাব বিভাগ
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অর্থ ও হিসাব সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ সম্পাদন, এতদসংক্রান্ত রেকর্ডপত্র সংরক্ষণ, বাজেট প্রণয়ন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সকল বিভাগ ও মাঠ পর্যায়ের সকল অফিসের নিরীক্ষা পরিচালনা ও প্রতিবেদন প্রণয়ন, অর্থ ও হিসাব সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, অডিট আপত্তি নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণ ইত্যাদি যাবতীয় কাজ অর্থ ও হিসাব বিভাগের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে। পরিচালক, অর্থ ও হিসাব এই বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন।
পরিকল্পনা বিভাগ
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সকল উন্নয়ন ও রাজস্ব খাতের প্রকল্প প্রণয়ন, মূল্যায়ন, প্রক্রিয়াকরণ, পরিবীক্ষণ, প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রকল্প কার্যালয়কে সহযোগিতা প্রদান করা এ বিভাগের কাজের অন্তর্ভুক্ত। প্রকল্পের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করাও পরিকল্পনা বিভাগের কাজের আওতাভুক্ত। এ ছাড়া এ বিভাগের মাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ অবমুক্তি, মনিটরিং, সুপারভিশন, এডিপি প্রণয়ন, পরিসংখ্যানগত তথ্যাদি প্রণয়ন, মাসিক, ত্রৈমাসিক, ষান্মাসিক ও বার্ষিক প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন ধরনের রিপোর্ট তৈরি করে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন, আইএমইডি ও সংশিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করাসহ উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের নির্ধারিত আর্থিক ও বাস্তব অগ্রগতির লক্ষ্যে যাবতীয় কার্যক্রম অত্র বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত হয়ে থাকে। একজন পরিচালক বিভাগীয় প্রধান হিসাবে এই বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন।
ইসলামিক মিশন
ইসলামের প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে সেবাভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ ও পরিচালনা, যেমন বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের দুস্থ ও দরিদ্র জনগণকে হালাল জীবিকা অর্জনে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে গরীব ও সহায়-সম্বলহীন জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করে তোলার জন্য সুদমুক্ত ঋণদান ও সেলাই প্রশিক্ষণ প্রদান, এবতেদায়ী মাদ্রাসা এবং মসজিদভিত্তিক মক্তব ও নৈশ মক্তব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নিরক্ষরতা দূরীকরণ, নূরানী পদ্ধতিতে পবিত্র কুরআন শিক্ষা ও নামায শিক্ষা প্রদান, তাফসীর অনুষ্ঠান ও উদ্বুদ্ধকরণ মাহফিল বাস্তবায়নের মাধ্যমে ইসলামের প্রচার ও প্রসার করা, মুবালিগ, নওমুসলিম ও মক্তব শিক্ষক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনগণের ইসলামী মূল্যবোধ উজ্জীবিত করা, জনগণকে স্বাবলম্বী করা, ইসলামী জীবনাদর্শের ভিত্তিতে জীবন যাপন প্রণালী প্রবর্তনে জনগণকে সহায়তা প্রদান এবং বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা প্রভৃতি কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে দেশের দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইসলামিক মিশন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের ৩০টি জেলায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে অপেক্ষাকৃত অনগ্রসর এলাকায় প্রতিষ্ঠিত ৩৩টি মিশন কেন্দ্রের মাধ্যমে উলিখিত কর্মসূচিসমূহ বাস্তবায়িত হচ্ছে। শুরু থেকে এ পর্যন্ত মিশন কেন্দ্রগুলোতে মোট ১,৪১,০৪,৪৭৭ জনকে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হয়েছে। এছাড়া চক্ষু শিবিরে ৪২,২৩৯ জনকে চক্ষু চিকিৎসা ও সুন্নাতে খাতনা শিবিরে ৭,৪৫৩ জনকে সুন্নাতে খাতনা সেবা দেয়া হয়েছে। তাছাড়া এ বিভাগের আওতায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে বায়তুল মুকাররমে একটি ডায়াগনোস্টিক সেন্টার পরিচালিত হয়ে আসছে। এখানে বিশেষ হ্রাসকৃত মূল্যে (৪০% রেয়াত) ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক সকল প্রকার রোগ নিরূপনী পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। ইসলাম প্রচার ও প্রসারের লক্ষে এ যাবৎ ১,১৮,৬৫৭ জন শিশু কিশোরকে কুরআন শিক্ষা দেয়া হয়েছে,৫,৩৭৮ জন মহিলাকে সেলাই প্রশিক্ষন দেয়া হয়েছে্;২৯৫ টি পরিবারকে স্বাবলম্বী করার লক্ষে সুদমুক্ত কর্জে হাসানা দেয়া হয়েছে। পরিচালক, ইসলামিক মিশন এই বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৯-১০ ও ২০১০-১১ অর্থ বছরে ইসলামিক মিশন কর্তৃক বাস্তবায়িত কার্যক্রমের অগ্রগতি চিত্র নিম্নরূপঃ
ক্রমিক |
কার্যক্রম |
২০০৯-১০ |
২০১০-২০১১ |
১. |
(ক) এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা |
৬,৬১,৮০৯ জন |
৬.১৬,৭৭৩ জন |
(খ) শিশু হাসপাতালের চিকিৎসাপ্রাপ্ত শিশু রোগীর সংখ্যা |
২২,৬৮৫ জন |
২২,৭৮৬ জন |
|
(গ) চক্ষু শিবিরে চিকিৎসাপ্রাপ্তগণের সংখ্যা |
১১৭ জন |
৯৬২ জন |
|
(ঘ) সুন্নতে খাতনা সুবিধাপ্রাপ্তগণের সংখ্যা |
১২ জন |
- জন |
|
(ঙ) প্রাকৃতিক দুর্যোগে চিকিৎসা ও ত্রান সামগ্রী সুবিধা প্রাপ্তদের সংখ্যা |
- |
- জন |
|
২. |
(ক) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাপ্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা |
২,৪৫,৬৮ জন |
২,৪৯,১১৪ জন |
(খ) যাকাত বোর্ড পরিচালিত শিশু হাসপাতালের চিকিৎসাপ্রাপ্ত হোমিও রোগীর সংখ্যা |
১১,২৬০ জন |
১৬,৬৪৭ জন |
|
৩. |
গণশিক্ষার মাধ্যমে সেবামূলক কার্যক্রম |
- |
- |
(ক) মক্তব / নৈশ মক্তবের সংখ্যা |
৩২০টি |
৩২০টি |
|
(খ) মক্তব/নৈশ মক্তবের শিক্ষার্থীর সংখ্যা |
১৮,৭৯৪ জন |
১৯,০৫৪ জন |
|
(গ) মক্তব /নৈশ মক্তবে অক্ষর জ্ঞান লাভের সংখ্যা |
১২,৬০৭ জন |
১১,৬৮৯ জন |
|
(ঘ) নামায শিক্ষার্থীর সংখ্যা |
১১,৭৬৫ জন |
১০,৮৯৫ জন |
|
(ঙ) নুরানী পদ্ধতিতে কুরআন তেলাওয়াতকারীর সংখ্যা |
৬,২৮৮ জন |
৬,৩৮৮ জন |
|
(চ) এবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর সংখ্যা |
১,২৩৫ জন |
১,২২২ জন |
|
৪. |
অনুষ্ঠান |
- |
- |
(ক) জাতীয় ধর্মীয় দিবস , প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক তাফসীর মাহফিলের সংখ্যা |
১,২৩৫ টি |
১,২২২টি |
|
(খ) ইসলামী জীবনাদর্শে উদ্বুদ্ধকরণ মাহফিলের সংখ্যা |
১৮৩টি |
১৮১টি |
|
(গ) ইসলামী জীবনাদর্শে উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধকৃতের সংখ্যা |
৬৮,৫১১টি |
৪৪,৮৩০টি |
|
৫. |
প্রশিক্ষণ |
- |
- |
|
(ক) মক্তব শিক্ষক প্রশিক্ষণ |
- |
- |
৬. |
বৃক্ষরোপন কার্যক্রমের আওতায় রোপিত বৃক্ষের সংখ্যা |
১,২০৪টি |
২,০১১টি |
৭. |
সেলাই প্রশিক্ষণে ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা |
১,২৫৭টি |
৯৩২টি |
৮. |
নতুন এবতেদায়ী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা |
- |
৫ জন |
৯. |
মেডিকেল অফিসার পদে নিয়োগ |
- |
৫ জন |
১০. |
অন্যান্য পদে জনবল নিয়োগ |
- |
৫ জন |
দ্বীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগ
ইসলামের শিক্ষা, আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রচার ও প্রসার, ধর্মীয় ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসসমূহ উদযাপন, সাহাবায়ে কিরাম (রা), মুসলিম মনীষী ও জাতীয় নেতৃবৃন্দের স্মরণসভা এবং ইসলামের মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা সভা, সেমিনার-সিম্পোজিয়াম, তাফসীর, দরসে হাদীস, বিষয়ভিত্তিক ওয়াজ-মাহফিল, ঈদ, ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) প্রভৃতি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ ও পরিচালনা, স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনুষ্ঠিতব্য কিরাআত ও হিফয প্রতিযোগিতার প্রতিযোগী বাছাইসহ ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শ প্রচারের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের অন্যতম কাজ। এ ছাড়াও এ বিভাগ জাতীয় পর্যায়ে ফিতরা নির্ধারণ ও ঘোষণার ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। জাতীয় চঁাদ দেখা কমিটির যাবতীয় আয়োজন এ বিভাগ থেকে হয়ে থাকে। এ কমিটি গঠিত হয় মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশে। এ কমিটিতে দেশের প্রখ্যাত ওলামায়ে কেরাম, আবহাওয়াবিদ, মহাকাশবিজ্ঞানী এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাগণ রয়েছেন। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী এ কমিটির সভাপতি এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক এ কমিটির সদস্য-সচিব। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কুরআন. হাদীস ও ফিকাহর আলোকে সঠিক নির্দেশনা এবং সরকারী ও বেসরকারী বিভিন্ন সংস্থা ও জনসাধারণের ধর্মীয় জিজ্ঞাসার জবাব দানের জন্য রয়েছে তাফসীর, হাদীস ও ফাতাওয়া শাখা। এ শাখার মুফতী, মুহাদ্দিস ও মুফাসসির পদে তিনজন বিশেষজ্ঞ আলেম দায়িত্ব পালন করছেন।
বিশ্ববাণিজ্যের বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে রপ্তানীযোগ্য খাদ্য, পানীয় ও অন্যান্য ভোগ্যপন্য সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক ‘‘হালাল সনদ’’ প্রদান করার দায়িত্ব পালনার্থে এই বিভাগের আওতাধীন একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি কাজ করে যাচ্ছে। বাণিজ্য উন্নয়নের লক্ষ্যে এর কার্যপরিধি ও কর্মতৎপরতা দিন দিন বেড়ে চলেছে।
১৯৯৪ সাল হতে ২০১১ সাল পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী দীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের অধীনে নির্বাচিত ১১০জন প্রতিযোগী সৌদী আরব, দুবাই, লিবিয়া, মালয়েশিয়া, ইরান, মিসর, জর্দান, তুরস্ক, আলজেরিয়া, ভারত ও পাকিস্তানসহ ১২/১৩টি দেশে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজ, কিরআত ও তাফসীর প্রতিযোগিতায় ১ম, ২য়, ৩য় স্থানসহ বিভিন্ন স্তরে পুরস্কার পেয়েছেন। তাদের প্রাপ্ত পুরস্কারের পরিমাণ বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৪০ (চলিশ) কোটি টাকা এবং স্বর্ণমুদ্রার পরিমাণ সর্বমোট ৩৫০ ভরি।
বাংলাদেশ ও মিসর সরকারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির আওতায় শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার লক্ষ্যে মিসর সরকারের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বৃত্তি নিয়ে আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে গমনেচ্ছু শিক্ষার্থীদের বাছাই ও চূড়ান্ত নির্বাচনের প্রক্রিয়া এই বিভাগের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। বিশ্বের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে আগ্রহীদেরকে যথাযথ আবেদনের প্রেক্ষিতে তাযকিয়া বা প্রশংসা পত্র দেওয়া হয়। এ বিভাগের অধীনে পরিচালিত আধুনিক আরবী ভাষা শিক্ষা কেন্দ্রকে পূর্ণাঙ্গ ভাষা ইনস্টিটিউটে উন্নীত করা হয়েছে। এ বিভাগের অনুবাদ শাখা থেকে বিদেশগামীদের বিভিন্ন সনদ, ডকুমেন্টস ও চিঠিপত্র আরবী-ইংরেজী বাংলায় অনুবাদ করা হয়। প্রফেশনাল অনুবাদকের দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা গ্রহণ ও সনদ প্রদানের দায়িত্বও এ শাখা পালন করে। এ বিভাগের অধীনে মহিলা শাখা নারী সমাজের মাঝে ইসলামের প্রচার ও প্রসার এবং ইসলামী আদর্শ ও মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে কাজ করে আসছে। এ ছাড়াও দুস্থ ও বিধবা মহিলাদের আত্মকর্ম সংস্থানের জন্য সেলাই প্রশিক্ষণ কোর্স চালু রয়েছে এবং মহিলাদের লেখাপড়ার জন্য একটি লাইব্রেরীরও ব্যবস্থা আছে। পরিচালক, দ্বীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি এই বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন।
প্রকাশনা বিভাগ
ইসলামের মৌলিক বিষয়াবলী, কুরআন ও কুরআন সম্পর্কিত, মহানবী (স)-এর সীরাত ও হাদীস সম্পর্কিত, ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য, ইসলামের আইন, তাফসীর, কুরআন, হাদীস, দর্শন, মুসলিম মনীষীদের জীবনী, ইসলামী অর্থনীতি, নারী, যৌতুক, মানবাধিকার ও শিশু-কিশোর উপযোগী চরিত্র গঠনমুলক সাহিত্য ইত্যাদি বিষয়ে পুস্তক প্রকাশের মাধ্যমে ইসলামী আদর্শ, মূল্যবোধ ও শিক্ষার প্রচার ও প্রসার এ বিভাগের প্রধান কাজ। এ উদ্দেশ্যে প্রকাশনা বিভাগ এ পর্যন্ত প্রায় ৩,৩০০ শিরোনামের পুস্তক প্রকাশ করেছে। সেই সঙ্গে এ বিভাগ থেকে অগ্রপথিক ও সবুজ পাতা নামে দুটি মাসিক পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশ হয়ে আসছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত পুস্তকের চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে পুনর্মুদ্রণের হারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতিমধ্যে কুরআনুল করীমের বাংলা অনুবাদের ৪৮তম সংস্করণ মুদ্রিত হয়েছে। তাফসীর, সীরাত, জীবনীগ্রন্থ, ইসলামের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও শিশুতোষ গ্রন্থগুলো ২ থেকে ২০ বার পর্যন্ত এই বিভাগ থেকে পুনর্মুদ্রণ করা হয়েছে।
২০০৯-২০১০ এবং ২০১০-২০১১ অর্থ বছরে পুস্তক প্রকাশ সংক্রান্ত তথ্য
ক্রমিক |
অর্থ বছর |
নতুন মুদ্রণ |
পুনর্মুদ্রন |
||||||
|
|
প্রকাশনা বিভাগ |
অনুবাদ |
গবেষণা বিভাগ |
বিশ্বকোষ বিভাগ |
প্রকাশনা বিভাগ |
অনুবাদ |
গবেষণা বিভাগ |
বিশ্বকোষ বিভাগ |
০১. |
২০০৯-২০১০ |
৮৪টি |
২০টি |
১১টি |
২টি |
৭৩টি |
১৭টি |
৬টি |
১টি |
০২. |
২০১০-২০১১ |
৮৭টি |
১৪টি |
৫টি |
- |
৮৩টি |
১২টি |
- |
- |
প্রকাশিত যাবতীয় পুস্তক ও পত্রিকা বিক্রয় করাও এ বিভাগের দায়িত্ব। ২০০৯-২০১০ অর্থ বছরে নীট ৪ কোটি ৫৭ লক্ষ ৫৪ হাজার ৩৭৮ টাকার বই বিক্রি করা হয়েছে। প্রকাশিত পুস্তকের স্টোর ব্যবস্থাপনার কাজও এ বিভাগ করে থাকে। পরিচালক, প্রকাশনা এ বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ইসলামী প্রকাশনা, অনুবাদ, গবেষণা ও বিশ্বকোষ কার্যক্রম শীর্ষক উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক-এর দায়িত্বও পালন করেন।
গবেষণা বিভাগ
ইসলামের মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং কুরআন ও হাদীস সম্পর্কে গবেষণাকর্ম পরিচালনা ও প্রকাশনা, গবেষণালব্ধ বিষয়াবলি পুস্তকাকারে প্রকাশ এবং গবেষণামূলক বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এ বিভাগের অন্যতম প্রধান কাজ। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ইসলামের প্রচার ও প্রসারের ইতিহাস, দেশবরেণ্য সাহিত্যিক ও ইসলামী চিন্তাবিদগণের জীবন ও কর্ম, আল-কুরআন অর্থনীতি, Scientific Indications in the Holy Quran, Muslim Contribution to Science & Technology সহ উলেখ্যযোগ্য সংখ্যক মূল্যবান গ্রন্থ গবেষণা বিভাগের মাধ্যমে ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম, ছোটদের বিশ্বকোষ, বিধিবদ্ধ ইসলামী আইন, আল-কুরআনের বিষয়ভিত্তিক আয়াত, জরুরী ফাতাওয়া ও মাসাইল শীর্ষক গ্রন্থ এর মধ্যে অন্যতম। এ ছাড়া হাদীস ও সামাজিক বিজ্ঞান, হাদীসের আলোকে হানাফী মাযহাবের তত্ত্ব ও দর্শন সম্পর্কিত মাসাইল আহনাফ, আরবী-বাংলা ও বাংলা-আরবী অভিধান প্রণয়নসহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে। গবেষণা বিভাগ থেকে বিভিন্ন বিষয়ে এ পর্যন্ত ১২০টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন পত্রিকা শীর্ষক একটি গবেষণামূলক ত্রৈমাসিক পত্রিকাও এ বিভাগের তত্ত্বাবধানে বিগত ৫০ বছর যাবত নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে। পরিচালক, গবেষণা এ বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন।
অনুবাদ ও সংকলন বিভাগ
পবিত্র কুরআনুল করীমের অনুবাদ, তাফসীর, হাদীসগ্রন্থ ও ইসলামের বিভিন্ন মৌলিক বিষয়ে বিভিন্ন ভাষায় লিখিত প্রষিদ্ধ, ক্লাসিক্যাল এবং আধুনিক গ্রন্থাদি অনুবাদ ও সংকলন করা এ বিভাগের কাজ। অনুবাদ ও সংকলণ বিভাগের মাধ্যমে সিহাহ সিত্তাহর পূর্ণাঙ্গ সেট, যেমন বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, তিরমিযী শরীফ, নাসাঈ শরীফ, আবু দাঊদ শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফসহ মুয়াত্তা ইমাম মালিক ও মুয়াত্তা ইমাম মুহাম্মদ, তাজরীদুস সিহাহ (পুনরাবৃত্তিমুক্ত সহীহ হাদীস) ইত্যাদি হাদীস গ্রন্থের অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তাছাড়া অনুবাদ ও সংকলন বিভাগ থেকে তাফসীরে মা’আরেফুল কুরআন, তাফসীরে জালালাইন, তাফসীরে ইবনে কাছীর, তাফসীরের তাবারী, তাফসীরে মাজেদী, তাফসীরে মাযহারী, তাফসীরে উসমানী, তাফসীরে ইবনে আববাস, ফাতাওয়ায়ে আলমগিরী, আল-হিদায়া এবং আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া (ইসলামের ইতিহাস আদি অন্ত), সীরাতে ইবনে ইসহাক, সীরাতে ইবনে হিশাম এবং আসাহহুস সিয়ার, সীরাতুল মুস্তফা-এর বাংলা অনুবাদসহ সীরাত বিষয়ক ১২টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। এ পর্যন্ত এ বিভাগ থেকে মোট ৩৫৯টি পুস্তক প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া মুসনাদে আহমদ, ইলাউস সুনান, ফিকহুস সুনান ও জামউল ফাওয়ায়েদ ইতিমধ্যে অনূদিত এবং প্রকাশের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তাফসীরে কাবীর-এর প্রথম খন্ডটি ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। একজন পরিচালক এ বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন।
ইসলামী বিশ্বকোষ বিভাগ
দেশের প্রখ্যাত ও প্রথিতযশা ইসলামী চিন্তাবিদ, আলিম, বিজ্ঞানী, গবেষক, শিক্ষক ও দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবীগণ কর্তৃক মৌলিকভাবে লিখিত, অন্য ভাষা থেকে অনূদিত ও সম্পাদিত ইসলাম সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় বিষয়াবলী সম্বলিত বাংলায় ইসলামী বিশ্বকোষ প্রকাশের লক্ষ্যে ইসলামী বিশ্বকোষ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। বাংলায় ২ খন্ডে সমাপ্ত সংক্ষিপ্ত ইসলামী বিশ্বকোষসহ ২৮ খন্ডে সমাপ্ত বৃহত্তর ইসলামী বিশ্বকোষ ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। ইসলামী বিশ্বকোষ দ্বিতীয় সংস্করণের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে এর ৭টি খন্ড প্রকাশিত হয়েছে। সীরাত বিশ্বকোষ নামে ২২ খন্ডে সমাপ্য আরেকটি প্রকল্পের কাজ চলছে। এতে আম্বিয়ায়ে কিরাম (আ), রাসূলুলাহ (স) ও সাহাবায়ে কিরাম (রা)-এর জীবনী স্থান পাবে। ইতিমধ্যে এ কার্যক্রমের আওতায় ১৪টি খন্ড প্রকাশিত হয়েছে এবং অন্যান্য খন্ড শীঘ্রই প্রকাশিত হবে। আল-কুরআন বিশ্বকোষ শিরোনামে মোট দশ খন্ডে সমাপ্য আরো একটি বিশ্বকোষ প্রণয়নের কাজ চলছে। এ বছর ৩টি খন্ড প্রকাশিত হয়েছে। পরিচালক, ইসলামী বিশ্বকোষ এই বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন।
ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অন্যতম একটি বিভাগ হচ্ছে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, দিনাজপুর ও সিলেট এই ৭টি কেন্দ্রের মাধ্যমে মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনগণকে ইসলামের মৌলিক বিষয় সম্পর্কে জ্ঞানদানের পাশাপাশি গণশিক্ষা, পরিবার কল্যাণ, কৃষি ও বনায়ন, পশু-পাখি পালন ও মৎস্য চাষ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও প্রাথমিক চিকিৎসা, বৃক্ষরোপণ ও গবাদি পশু চিকিৎসা ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করে তাদেরকে উপার্জনক্ষম এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখার মত উপযুক্ত করে গড়ে তোলাই ইমাম প্রশিক্ষণের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। সারাদেশে ১৯৫জন জনবলের মাধ্যমে উক্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয়। একজন পরিচালক উক্ত বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন। উলেখিত প্রশিক্ষণ ছাড়াও ইউএনএফপিএ-এর অর্থানুকূল্যে ‘মানব সম্পদ উন্নয়নে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্তকরণ’ প্রকল্পের আওতায় স্বাস্থ্যপ্রজনন শিশু ও মাতৃমঙ্গল এইডস প্রতিরোধ, সন্ত্রাস ও যৌতুক বিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি, জেন্ডার ইকুইটি ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। ইমামগণ প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে উলেখযোগ্য ভূমিকা রাখছেন। শুরু থেকে ৭টি কেন্দ্রের মাধ্যমে মোট ৬৮১০২ জন ইমামকে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে। নিয়মিত ৪৫ দিনের প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান বাস্তবে কাজের লাগানোর প্রতি গুরুত্বারোপ করে ২১১৬৬জন ইমাম রিফ্রেশার্স কোর্সে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অফিস ব্যবস্থাপনা এবং নৈতিকমান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত মোট ১,২০১ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। ১৫৫৪ জন ইমাম, মাদ্রাসার ছাত্র ও বেকার যুবককে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে এবং ৩০,৬৪৮ জনকে মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। ইউএসএআইডি-এর অর্থায়নে দি এশিয়া ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ১৫,৭০৩ জন ইমামকে লডার্স অব ইনফ্লুয়েন্স (LOI) প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। উপরোক্ত বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণের আওতায় ১,৪৫,০৪৮ জন ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
২০০৯-১০ ও ২০১০-১১ অর্থ বছরে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী কর্তৃক পরিচালিত প্রশিক্ষণ কোর্স সংক্রান্ত পরিসংখ্যান নিম্নরুপঃ
ক্রমিক |
অর্থ বছর (বরাদ্ধ) |
প্রশিক্ষণের বিবরণ |
||||
নিয়মিত প্রশিক্ষণ (৪৫ দিন) |
রিফ্রেসার্স |
ইউ.এস.এ.আই.ডি (৩ দিন) |
কম্পিউটার |
মানব সম্পদ |
||
০১. |
২০০৯-২০১০ |
৩১৯৮ জন |
১৩৭৬ জন |
২৯৯১ জন |
২২৫ জন |
১৭৯৯ জন |
০২. |
২০১০-২০১১ |
৩১৮২ জন |
১৩৯৪ জন |
২০৯৯ জন |
২১৬ জন |
৮৯৭ জন |
|
মোট |
৬৩৮০ জন |
২,৭৭০ জন |
৫,০৯০ জন |
৪৪১ জন |
২,৬৯৬ জন |
জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমাম পুরস্কারঃ
ইমামগণ প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের সকল ক্ষেত্রে নানামূখী অবদান রেখে আসছেন। তঁাদের কাজের মূল্যায়ন স্বরূপ প্রতি বছরই দেশের শ্রেষ্ঠ ০৩ (তিন) জন ইমামকে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচন করে জাতীয় পর্যায়ে ৩ (তিন) টি পুরস্কার প্রদান করা হয়ে থাকে ।
২০০৯-১০ ও ২০১০-১১ অর্থ বছরে পুরস্কার প্রদানের বিবরণ নিম্নরুপঃ
ক্রমিক নং |
অর্থ বছর |
জেলা পর্যায় |
বিভাগীয় পর্যায় |
জাতীয় পর্যায়ে |
মন্তব্য |
০১. |
২০০৯-২০১০ |
৩X৬৪ =১৯২ জন |
৩X৭=২১ জন |
৩ জন |
জেলা পর্যায়ে প্রতিজন ইমামকে ১,০০০/-টাকা, বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিজনকে ১০,০০০/- এবং জাতীয় পর্যায়ে প্রতিজনকে ২৫,০০০/-টাকা পুরস্কার প্রদান করা হয় । |
০২. |
২০১০-২০১১ |
৩X৬৪ =১৯২ জন |
৩X৭=২১ জন |
৩ জন |
জেলা পর্যায়ে প্রতিজন ইমামকে ১,০০০/-টাকা, বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিজনকে ১০,০০০/- এবং জাতীয় পর্যায়ে প্রতিজনকে ২৫,০০০/-টাকা পুরস্কার প্রদান করা হয় । বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। |
|
মোট |
১৯২ জন |
২১ জন |
৩ জন |
|
শ্রেষ্ঠ খামার প্রতিষ্ঠাকারী ইমামদের পুরস্কার প্রদানঃ
ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী কর্তৃক প্রদত্ত প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে ইমামগণ হঁাস-মুরগী, গবাদি পশু, বনায়ন, মৎস্য খামার ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। অনেক ইমামই সাফল্যজনকভাবে হঁাস-মুরগী, গবাদি পশুর খামার করে জাতীয় জীবনে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে অবদান রাখছেন। তঁাদের কাজের মূল্যায়ন স্বরূপ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের মধ্য থেকে শ্রেষ্ঠ খামারী ইমাম নির্বাচন করে দেশের ৭টি ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রতি বছর ৬৪ জন শ্রেষ্ঠ খামারী ইমামকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
২০০৯-১০ ও ২০১০-১১ অর্থ বছরে পুরস্কার প্রদানের সংখ্যা নিম্নরূপঃ
ক্রমিক নং |
অর্থ বছর |
সংখ্যা |
মন্তব্য |
০১. |
২০০৯-২০১০ |
৬৪ জন |
প্রতিজন ইমামকে ১০,০০০/-টাকা করে পুরস্কার প্রদান করা হয়। |
০২. |
২০১০-২০১১ |
৬৪ জন |
প্রতিজন ইমামকে ১০,০০০/-টাকা করে পুরস্কার প্রদান করা হয়। |
ইমাম-মুয়াজ্জি্ন কল্যাণ ট্রাস্ট
দরিদ্র ইমাম ও মুয়াজ্জিনগণকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে সংসদে ১ জুলাই ২০০১ সালে এ্যাক্ট পাশ করে সরকার ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করেছেন। ১জন চেয়ারম্যাণ, ১জন সদস্য-সচিব ও ৭জন সদস্য সমন্বয়ে একটি ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত হয়ে আসছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মহোদয় এবং ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমীর পরিচালক যথাক্রমে এ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও সচিব-এর দায়িত্ব পালন করেন। ইমাম ও মুয়াজ্জিনের কল্যাণার্থে এর আওতায় সরকার একটি ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছেন। দেশের যে কোন মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিন মাসিক ১০/- (দশ) টাকা হারে চঁাদা দিয়ে এ ট্রাস্টের সদস্য হতে পারেন। ট্রাস্ট ফান্ডের লভ্যাংশ থেকে এ যাবত সুদমুক্ত ঋণ হিসেবে ৩৯৩জন ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে ৩৫লক্ষ ১৭ হাজার ৫শত টাকা এবং এককালীন সাহায্য হিসেবে ৬০৯জন ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে ৩৪ লক্ষ ৫৮ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।
ক্রমিক নং |
অর্থ বছর |
অর্জিত কার্যক্রম |
মন্তব্য |
|
০১. |
২০০৯-২০১০ |
(ক) |
ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে সুদমুক্ত ঋণ প্রদান করেছেন ৩৯৩ জনকে |
|
(খ) |
ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে সাহায্য প্রদান করেছেন ৬০৯ জনকে |
|
||
বিঃ দ্রঃ ৬৪টি জেলায় ২০১১-২০১২ অর্থ বছরে ঋণ খাতে বরাদ্দ ১ (এক) কোটি টাকা । এবং
২০১১-২০১২ অর্থ বছরে সাহায্য খাতে বরাদ্দ ৩৫ লক্ষ টাকা রাখা হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন লাইব্রেরি
ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের উপর গবেষণাসহ সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ইসলামী জ্ঞান বিকাশের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টির লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন লাইব্রেরীর কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে ইসলামিক ফাউন্ডেশন লাইব্রেরিতে উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ হস্তলিখিত পবিত্র কুরআনুল করীম, হযরত উসমান (রা)-এর সময়ের হাতে লেখা কুরআন ‘মাসহাফে উসমান’, অন্ধদের জন্য ব্রেইল কুরআন শরীফসহ বিভিন্ন ছাপার কুরআন শরীফ, তাফসির গ্রন্থ, হাদীস গ্রন্থ, ইসলামী সাহিত্য, চিকিৎসা বিজ্ঞান, ইসলাম ও বিজ্ঞান, ইসলামী অর্থনীতি, ইসলামী দর্শন, ইসলামের ইতিহাস, ইসলামী আইন, বিভিন্ন ভাষার অভিধান ও বিশ্বকোষ এবং শিশু সাহিত্যসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর এক লক্ষ বার হাজার পুস্তক রয়েছে। এ লাইব্রেরীটি বর্তমানে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ইসলামিক লাইব্রেরী হিসেবে পরিচিত লাভ করেছে। এ ছাড়া সাপ্তাহিকী ও সাময়িকী মিলিয়ে নিয়মিত ৪০টি পত্রিকা রাখা হয়। লাইব্রেরী ভবনের নিচ তলায় বাংলাদেশের কৃষ্টি কালচার ও ইসলামী কৃষ্টিকালচারের সমন্বয়ে সৌন্দর্যমন্ডিত একটি প্রদর্শনী হল রয়েছে। উক্ত প্রদশনী হলে হযরত মুহাম্মদ (সা)-এর জীবনীমূলক (বংশ পরিচয় থেকে শুরু করে ওফাতসহ) পোস্টার রয়েছে। উক্ত প্রদর্শনী হল পরিদর্শন করার সুযোগ রয়েছে। একজন প্রকল্প পরিচালক ও লাইব্রেরীয়ান এই বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন।
সম্প্রতি লাইব্রেরীতে অটোমেশন কার্যক্রম অর্থাৎ কম্পিউটারের মাধ্যমে যাবতীয় লাইব্রেরী সেবা প্রদানের জন্য একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তাছাড়া লাইব্রেরীর জন্য ওয়েবসাইট চালু করে লাইব্রেরীকে দেশ-বিদেশের পাঠকদের নাগালে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যে কোন পাঠক ইন্টারনেটের মাধ্যমে লাইব্রেরী সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এ ছাড়া পাঠক ও গবেষকদের সেবাদানের লক্ষ্যে লাইব্রেরী থেকে ফটোকপি সার্ভিস প্রদান করা হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন লাইব্রেরী সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণ প্রকল্প-এর আওতায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে সাহানের উপর লাইব্রেরীর জন্য একটি স্বতন্ত্র ভবন (২য় তলা হতে ৪র্থ তলা পর্যন্ত) নির্মাণ করা হয়েছে। নভেম্বর ২০০৯ইং ওআইসির মান্যবর মহাসচিব ড. একমেলেদ্দিন ইহসানোগলু ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মোঃ শাহজাহান মিয়া এমপি লাইব্রেরীর নতুন ভবন উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর থেকে নতুন ভবনে লাইব্রেরীর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বর্তমানে মহিলা, শিশু, অন্ধ, প্রতিবন্ধী ও বয়োবৃদ্ধ পাঠকদের জন্য বিদ্যমান ভবনের ৪র্থ তলার উপরে ৫ম তলার নির্মাণসহ আর্চ নির্মাণ কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। নতুন ভবনের ৫ম তলা নির্মাণ কাজ শেষ হলে মহিলা, শিশু, অন্ধ, প্রতিবন্ধী ও বয়োবৃদ্ধ পাঠকদের অধ্যয়নের জন্য পৃথক পৃথক ব্যবস্থা রাখা হবে। প্রকল্পের আওতায় লাইব্রেরীর নতুন ভবনে ১টি লিফট ও ১টি জেনারেটর স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
(ক) লাইব্রেরীর মোট পুসত্মক সংখ্যা (আগষ্ট-২০১১ পর্যমত্ম) = ১,১১,৭৮৪ কপি (খ) প্যাম্পলেট সংখ্যা (আগষ্ট-২০১১ পর্যমত্ম) = ৮,৭৩০ কপি (গ) পাঠক সংখ্যা (১৯৮৩ থেকে আগষ্ট- ২০১১ পর্যমত্ম) =২৭,৪৫,৭২৮ জন (ঘ) গবেষক সংখ্যা (আগষ্ট- ২০১১ পর্যমত্ম) = ২,৭৫০ জন |
মজুদ পুসত্মক সংক্রামত্ম তথ্যঃ
|
ইসলামিক ফাউন্ডেশন ছাপাখানা
ইসলামী গ্রন্থাবলি ও পত্র-পত্রিকা প্রকাশনার ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর নিজস্ব একটি ছাপাখানা রয়েছে। বিদ্যমান ছাপাখানাকে আধুনিকীকরণ করার লক্ষ্যে ৯.৯৯ কোটি টাকার একপি প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ সম্প্রতি সমাপ্ত হয়েছে। এই প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়নের ফলে প্রেসের কাজের পরিধি অনেকগুণ বেড়ে গেছে। এই প্রকল্পের আতওয়া প্রেসের জন্য আলাদা দ্বিতল একটি ভবন রয়েছে। নতুন এবং পুরাতন মেশিনারিজ নতুন ভবনে স্থানান্তরের ফলে প্রেসের কর্মচারীদের কাজের পরিবেশগত যথেষ্ট সুবিধার সৃষ্টি হয়েছে। মেশিন, কম্পিউটার, ক্যামেরা, পেট ও প্রসেস বিভাগে প্রয়োজনীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র স্থাপিত হয়েছে। কর্মচারী/শ্রমিকদের কাজের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রেস একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। পরবর্তীতে ২০০৮-০৯ অর্থ বছরের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিদ্যমান ছাপাখানার উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ১,৪৮,৪৫০ লক্ষ টাকার অত্যাধুনিক চারটি হাইডেলবার্গ, ১টি সিটিপি, ১টি কাটিং ও ১টি অটোমেটিক ফোল্ডিং মেশিন আমদানী করা হয়েছে এবং সংস্থাপনের কাজ শেষ হলে প্রেসটি একটি অত্যাধুনিক ছাপাখানায় পরিণত হবে। উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচ্য প্রকল্পটি ১৭৫১.০০ লক্ষ টাকা ব্যয়ের ১টি রিভাইজড প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ফলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রেসের উৎপাদন ক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।প্রেস ম্যানেজার ছাপাখানা ব্যবস্থাপনার সামগ্রিক দায়িত্ব পালন করেন।
যাকাত বোর্ড
১৯৮২ সালের ৫ জুন যাকাত বোর্ড গঠন করা হয়। যাকাত বোর্ড পরিচালনা করার জন্য দেশের খ্যাতনামা মনীষীদের সমন্বয়ে গঠিত ১৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি রয়েছে। সরকার কর্তৃক গঠিত যাকাত ফান্ডে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে সমাজের অসহায় ও দুস্থদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে :
১. টঙ্গী শিশু হাসপাতাল ২. সেলাই প্রশিক্ষণ প্রকল্প ৩. দরিদ্র শিক্ষার্থীদৈর মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ৪. মেধাবী ও দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান ৫. রিকসা/ভ্যান ও সেলাই মেশিন প্রদান ৬. বিধবা পুনর্বাসনের লক্ষ্যে হঁাস-মুরগী/গরু-ছাগল প্রদান ৭. নদী ভাঙ্গন এলাকায় গৃহহীনদের গৃহনির্মাণ ৮. মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ প্রদান ৯. ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে পুঁজি প্রদান ইত্যাদি। প্রধানত দুস্থ অসহায়দের পুনর্বাসনে সহায়তা দেয়াই গৃহীত কর্মসূচীর মুখ্য উদ্দেশ্য।
যাকাত ফান্ডের সংগৃহীত অর্থ দ্বারা পরিচালিত কার্যক্রমসমূহের মধ্যে রয়েছে :
১. দুঃস্থ দরিদ্র শিশুদের চিকিৎসার জন্য প্রতিষ্ঠিত শিশু হাসপাতালের মাধ্যমে ১৯৮৪-৮৫ সাল হতে এ পর্যন্ত ৫,৭২,০৮১ জনকে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান ;
২. ১৯৮৪-৮৫ সাল হতে এ পর্যন্ত ১৩,৮৬২ জন দুস্থকে সেলাই প্রশিক্ষণ প্রদান ;
৩. ১৯৯০-৯১ সাল হতে এ পর্যন্ত ১,৩০০জন দরিদ্র ছাত্রছাত্রীকে বৃত্তি প্রদান ;
৪. দরিদ্র বিমোচনে ১৯৯১-৯২ সাল হতে এ পর্যন্ত ২,১০০টি রিক্সা/ভ্যান গাড়ি ও সেলাই মেশিন প্রদান ;
৫. বিধকা পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ১৯৯৩-৯৪ সাল হতে এ পর্যন্ত ৭,২০০জনকে হঁাস-মুরগী ও গরু-ছাগল পালনের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান;
৬. ২০০৪-০৫ অর্থ সাল হতে এ পর্যন্ত ১,৫৭২টি গৃহ নির্মাণ;
৭. ২০০৪-০৫ অর্থ সাল হতে এ পর্যন্ত ৭১০ জনকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে পঁুজি প্রদান;
৮. ২০০৪-০৫ অর্থ সালে ২১জনকে মটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ প্রদান;
৯. ২০০৬-০৭ সাল হতে এ পর্যন্ত ২,৭০০জনকে শীত বস্ত্র বিতরণ ও সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত বরগুনা, পটুয়াখালী ও বাগেরহাট জেলায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ এবং আইলায় ক্ষতিগ্রস্ত বরগুনা ও বাগেরহাট জেলায় ৫০০জনকে আর্থিক সাহায্য ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ।
১০. চিকিৎসা ও আর্থিক সাহায্য হিসেবে এ পর্যন্ত ১১০০ জন দুস্থ ও ৯৭ জন নওমুসলিমকে স্বালম্বী হওয়ার জন্য আর্থিক সাহায্য প্রদান।
১১. আইলা এলাকায় ৬৪০ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামকে বৃক্ষের চারা প্রদান, ১৬টি এলাকায় ১৬টি গভীর নলকুপ এবং ৫০টি স্যানিটেশন ল্যাট্টিন স্থাপন।
২০০৯-১০ অর্থ বছরে সংগৃহীত যাকাতের অর্থ বিতরণের জন্য স্ব স্ব জেলায় প্রেরণ করা হয়েছে। ৬৪টি জেলা কার্যালয় কর্তৃক দুস্থদের মাঝে যাকাতের অর্থে সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
২০০৮-২০০৯ এবং ২০০৯-২০১০ অর্থ বছরে সংগৃহিত ও বিতরণকৃত যাকাতের বিবরণঃ
ক্রমিক নং |
অর্থ বছর |
যাকাত আদায়ের পরিমাণ (টাকা) |
ব্যয়ের খাত |
ব্যায়ের পরিমাণ |
মন্তব্য |
১. |
২০০৮-২০০৯ |
১,১৩,২৮,০৩৬/ |
১) যাকাত বোর্ড শিশু হাসপাতাল-১টি |
৩,১৪,৮০০/ |
|
২) সেলাই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২৩টি কেন্দ্র |
৭,০৫,৬০০/ |
||||
৩) নওমুসলিম স্বাবলম্বীকরণ কার্যক্রম |
৩,০০,০০০/ |
||||
৪) মঙ্গাপীড়িত এলাকায় কর্মসংস্থান |
৫,০০,০০০/ |
||||
৫) যাকাত ভাতা ও শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান |
৩,৬০,০০০/ |
||||
৬) দুঃস্থ ও গরীব রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা কার্যক্রম |
২,০০,০০০/ |
||||
৭) দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থদের গৃহমেরামত ও ত্রাণ বিতরণ |
১৪,০১,৪৯৫/ |
||||
৮) বিভাগ/জেলায় আদায়কৃত অর্থ বিতরণ |
৪০,০২,৬০১/ |
||||
|
|
|
মোটঃ |
৭৭,৮৪,৪৯৬/ |
|
২. |
২০০৯-২০১০ |
১,৪৭,০৭,৬৪৫/ |
১) যাকাত বোর্ড শিশু হাসপাতাল-১টি |
৬,২৮,০৫০/ |
|
২) সেলাই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২৩টি কেন্দ্র |
১০,৭৬,৪০০/ |
||||
৩) প্রতিবন্ধী পুনর্বাসন |
৫,০০,০০০/ |
||||
৪) সেলাই প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারী দুঃস্থদের মধ্যে সেলাই মেশিন প্রদান |
১০,৩৫,০০০/ |
||||
৫) দুঃস্থদের কর্মসংস্থান কার্যক্রম (পুরুষ) |
১৪,০০,০০০/ |
||||
৬) নওমুসলিম স্বাবলম্বীকরণ কার্যক্রম |
৫,০০,০০০/ |
||||
৭) যাকাত ভাতা ও শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান |
১০,০০,০০০/ |
|
|||
৮) দুঃস্থ ও গরীব রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা কার্যক্রম |
১০,১২,০০০/ |
|
|||
৯) মঙ্গা /প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন (গভীর নলকুপ ও স্যানিটেশন) |
১৩,৬০,০০০/ |
|
|||
১০) বৃক্ষরোপন কার্যক্রম |
৪,৯৯,২০০/ |
|
|||
১১) বিভাগ/জেলায় আদায়কৃত অর্থ বিতরণ |
৪১,৩২,৬৯৪/ |
|
|||
১২) মেরামত ও সংরক্ষণ |
৫০,০০০/ |
|
|||
১৩) ব্যাংক চার্জ /বিবিধ |
৩৩,০৯৯/ |
|
|||
|
|
|
মোটঃ |
১,৩২,২৬,৪৪৩/ |
|
মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্প
মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর গুরুত্বপূর্ণ একটি বৃহৎ প্রকল্প। এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম জানুয়ারি ১৯৯৩ থেকে শুরু হয়ে ধারাবাহিকভাবে বর্তমান সময় পর্যন্ত (৫ম পর্যায়) চলমান রয়েছে। সরকারি বিধি মোতাবেক প্রকল্পটি ১ম পর্যায় ১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত চলে। এ পর্যায়ে মোট ৭৪,৮৮০জন শিশু ও বয়স্ক শিক্ষার্থীকে শিক্ষাদান করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা থাকলেও জন চাহিদার প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত আরও ১৯,৭১০ জন সহ মোট ৯৪,৫৯০ জন শিশু ও বয়স্ক শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রদান করা হয়। ফলে ১ম পর্যায়ে সফলতা দঁাড়ায় ১২৬%। তদ্রুপ দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে চলমান প্রকল্পটির পিপি অনুযায়ী মোট ৬,১১,৫২০ জন শিশু ও বয়স্ক শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত থাকলেও জন-চাহিদার প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত ১,১২,৩২০ শিক্ষার্থীসহ মোট ৭,২৩,৮৮০ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষাদান করা হয়। এ পর্যায়ে সফলতার হার ছিল ১১১%। প্রকল্পের শিক্ষা কার্যক্রম ১ম ও ২য় পর্যায় সফলভাবে সমাপ্ত হওয়ার পর দুই পর্যায়ে কার্যক্রমের সফলতার প্রেক্ষিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, আইএমইডি, পরিকল্পনা কমিশন এবং প্রকল্পের আন্তঃমন্ত্রণালয় মূল্যায়ন স্টিয়ারিং কমিটি ও আন্তঃমন্ত্রণালয় মূল্যায়ন কমিটি প্রকল্পটি সম্প্রসারিত আকারে বাস্তবায়নের সুপারিশ করেন। প্রেক্ষিতে, জুলাই ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল মেয়াদে সম্প্রসারিত আকারে ৩য় পর্যায়ে প্রকল্প গৃহীত হয়। এ পর্যায়ে সারাদেশে ১২,০০০ শিক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে শিক্ষার্থী পাঠদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১৬,৩৩,৬০০ জন। সেই সাথে ৭০৪টি মডেল ও জীবনব্যাপী পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে ১২,০০০ শিক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে ১৬,৩৩,৬০০ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষাদান করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত থাকলেও অতিরিক্ত আরও ৯,৪৪০ জনসহ সর্বমোট ১৬,৪৩,০৪০ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষাদান করা হয়। এই পর্যায়ে অর্জিত সাফল্যের হার দঁাড়ায় ১০১%। উলেখ্য, ধারাবাহিকভাবে চলমান এ প্রকল্পটির আওতায় তৃতীয় পর্যায়ে দেশের ৬৪টি জেলায় মোট ২৫৬টি উপজেলায় কার্যক্রম চালু ছিল। প্রকল্পের ৪র্থ পর্যায়ে (জানুয়ারি ২০০৬ থেকে ডিসেম্বর ২০০৮ পর্যন্ত মেয়াদে) দেশের মোট ৪৭৯টি উপজেলায় ১৮,০০০ প্রাক-প্রাথমিক, ৭৬৮টি বয়স্ক ও ১২,০০০ কুরআন শিক্ষা কেন্দ্র চালু হয়। এ ছাড়াও শিক্ষার্থীদের অর্জিত শিক্ষাকে অব্যাহত রাখার সুবিধার্থে সারাদেশে ৪৭৯টি মডেল রিসোর্স সেন্টার ও ৯৯৫টি সাধারণ রিসোর্স সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়। উলেখ্য, ৪র্থ পর্যায় প্রকল্পের (২০০৬-২০০৮) আওতায় ১৮,০০০ প্রাক-প্রাথমিক ও ৭৬৮টি বয়স্ক কেন্দ্রের মাধ্যমে সর্বমোট ১৬,৭৭,৬০০ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষাদান করা হয়েছে। এ ছাড়াও শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার জন্য ১২,০০০ কুরআন শিক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে মোট ১২,৬০,০০০ জন শিক্ষার্থীকে শুদ্ধভাবে পবিত্র কুরআন শিক্ষাদান করা হয়। কোর্স সমাপ্তকারীর সংখ্যা ২৯,৩৭,৬০০জন। অর্জিত সাফল্যের হার ১০০%।
৫ম পর্যায়ে প্রকল্পটি ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ৬৪৩.৫৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে গৃহীত হয়েছে। এতে ৫২,৮৬,০০০ শিক্ষার্থীর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণপূর্বক ৬৪৩.৫৫ লক্ষ টাকার প্রকল্প অনুমোদন হয়ে বর্তমানে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই প্রকল্পের আওতায় দেশের মোট ৪৮৫টি উপজেলায় ২৪০০০ প্রাক-প্রাথমিক, ৭৬৮টি বয়স্ক কেন্দ্র, ১২,০০০ কোরআন শিক্ষা কেন্দ্র, ১০৫১টি সাধারণ রিসোর্স সেন্টার, ৪৮৫টি মডেল রিসোর্স সেন্টার বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে বিগত দুই বছরে ২০১০ সাল পর্যন্ত ২০,০০০টি প্রাক-প্রাথমিক কেন্দ্রের মাধ্যমে ১১,৭০,০০০জন (৩৮%) শিশু শিক্ষার্থীকে (ডিসেম্বর ২০১০ পর্যন্ত), ১২,০০০টি কুরআন শিক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে ৮.৪০.০০০জন (৪০%) স্কুল পড়ুয়া ও ঝরেপড়া শিক্ষার্থীকে (জুলাই=২০১০ জুন-২০১১ শিক্ষাবর্ষের চলমান শিক্ষার্থীসহ) এবং ৭৬৮টি বয়স্ক কেন্দ্রের মাধ্যমে ৩৮.৪০০জন (৪০%) বয়স্ক শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ১০৫১টি (১০০%) সাধারণ রিসোর্স সেন্টার এবং ৪৮৫টি (১০০%) মডেল রিসোর্স সেন্টার পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রকল্প মেয়াদে প্রকল্পের প্রভিশন ও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী অবশিষ্ট শিক্ষা কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
বিগত ২ বছরে (২০১০ ও ২০১১ ) মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন নিম্নরুপঃ
সারণী-১
অর্থ বছর |
শিক্ষা বছর |
ডিপিপি বরাদ্দ |
এডিপি বরাদ্দ |
লক্ষ্যমাত্রা (মোট শিক্ষার্থী) |
(অর্জিত অগ্রগতি) |
মন্তব্য |
২০০৯-২০১০ |
২০০৯ |
১১১২২.৯৫ |
১৩৭৩৭.০০ |
১০,০৯,২০০ জন |
১০,০৯,২০০ জন |
প্রাক-প্রাথমিক কুরআন শিক্ষা ও বয়স্ক শিক্ষার শিক্ষার্থী একজন দেখানো হয়েছে। |
২০১০-২০১১ |
২০১০ |
১২০৪৮.৬৮ |
১১৯০০.০০ |
১০,৩৯,২০০ জন |
১০,৩৯,২০০ জন |
|
|
মোট |
২৩১৭১.৬৩ |
২৫৫৩৭.০০ |
২০,৪৮,৪০০ জন |
২০,৪৮,৪০০ জন |
|
সারণী-২
শিক্ষা বছর |
স্তর ওয়ারী শিক্ষার্থী |
লক্ষ্যমাত্রা |
মোট কেন্দ্র |
মোট রিসোর্স সেন্টার |
||
প্রাক-প্রাথমিক |
বয়স্ক |
বিশুদ্ধ কুরআন |
||||
২০০৯-২০১০ |
৫,৭০,০০০ জন |
১৯,২০০ জন |
৪,২০,০০০ জন |
১০,০৯,২০০ জন |
প্রাক-প্রাথঃ ১৯,০০০টি |
১৫৩৬টি |
২০১০-২০১১ |
৬,০০,০০০ জন |
১৯,২০০ জন |
১০,৩৯,২০০ জন |
১০,৩৯,২০০ জন |
প্রাক-প্রাথঃ ১৯,০০০টি |
১৫৩৬টি |
মোট |
১১,৭০,০০০ জন |
৩৮,৪০০ জন |
৮,৪০,০০০ জন |
২০,৪৮,৪০০ জন |
|
|
২০১০ ও ২০১১ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যাঃ
সারণী-৩
শিক্ষা বছর |
কোর্স সম্পন্নকারী |
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় /মাদ্রাসা /&এনজিও পরিচালিত স্কুলে ১ম শ্রেণীতে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা |
মন্তব্য |
২০১০ |
৫,৫২,৯০০জন |
৫,০৮,৬৬৮ জন |
প্রায় ৮% শিক্ষার্থী ৬ বছর বয়স না হওয়ায় যাযাবর, নদীভাঙ্গন, দারিদ্রতা ইত্যাদি কারণে উলেখিত কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়নি। |
২০১১ |
৫,৭৯,০০০জন |
৫,২৬,৮৯০ জন |
প্রায় ৯% শিক্ষার্থী ৬ বছর বয়স না হওয়ায় যাযাবর, নদীভাঙ্গন, দারিদ্রতা ইত্যাদি কারণে উলেখিত কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়নি। |
মোট |
১১,৩১,৯০০জন |
১০,৩৫,৫৫৮ জন |
|
মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্প
মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্প ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। এর কার্যক্রম ১৯৭৮-৭৯ অর্থ বছরে প্রথম গ্রহণ করা হয়। এ পর্যন্ত এ প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশে ২৫,৭৮৩টি মসজিদ পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৪,৩০০টি বিদ্যমান পাঠাগারে পুস্তক সংযোজন করা হয়েছে এবং ৬,১০০টি পাঠাগারে পুস্তক সংরক্ষণের জন্য আলমারি ও শোকেস প্রদান করা হয়েছে। তন্মধ্যে ৬৪টি জেলায় ৬৪টি মডেল পাঠাগার এবং ৪৭৭টি উপজেলায় উপজেলা মসজিদ পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে। সমাজে জনগণের মধ্যে পবিত্র কুরআনুল করীম ও ইসলামী পুস্তকের পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা নৈতিক অবক্ষয়রোধ, ইসলামের ইতিহাস, আদর্শ ও মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এ প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য। ২০১০-২০১১ অর্থ বছরে প্রকল্পের জন্য সংশোধিত এডিপি বরাদ্দ ১৩১৮.০০ লক্ষ টাকা। ২০১০-২০১১ অর্থ বছরে আরও ৬০০টি নতুন পাঠাগার স্থাপন, ২৫০০টি বিদ্যমান পাঠাগারে পুস্তক সংযোজন এবং ১০০০টি পাঠাগারে শোকেস প্রদান করা হয়েছে।৯০% মুসলিম জনসংখ্যা অধ্যূষিত বাংলাদেশে প্রায় দুই লক্ষাধিক মসজিদ রয়েছে। মসজিদগুলোতে লাইব্রেরী স্থাপনের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণ সহজেই কুরআন-হাদীস নির্ভর গ্রন্থরাজি পাঠ করে ইসলাম সম্পর্কে জানতে পারছে। ১৯৭৮-৭৯ অর্থ বছর থেকে মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়ে বর্তমানে দেশে স্থাপিত মসজিদ পাঠাগারের সংখ্যা প্রায় ২৭ হাজার ।
২০০৯-২০১০ ও ২০১০-১১ অর্থ বছরে মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্পের অগ্রগতি চিত্র নিম্নরুপঃ
ক্রমিক নং |
অর্থ বছর |
|
বাস্তবায়িত কার্যক্রম |
ব্যয়িত অর্থের পরিমাণ |
০১. |
২০০৯-২০১০ |
ক. |
৮০০টি নতুন মসজিদ পাঠাগার স্থাপন |
৮০.০০ |
|
|
খ. |
২৫০০টি বিদ্যমান পাঠাগারে পুস্তক সংযোজন |
১৫০.০০ |
|
|
গ. |
১০০টি মসজিদ পাঠাগারে আলমারী সরবরাহ |
৮০.০০ |
|
|
চ. |
৩৩৩৯ সংখ্যক সামাজিক ইস্যু আলোচনা, জাতীয় ও ধর্মীয় দিবস উদযাপন |
৭৬.৩২ |
০২. |
২০১০-২০১১ |
ক. |
৬০০টি নতুন মসজিদ পাঠাগার স্থাপন |
৬০.০০ |
|
|
খ. |
২৫০০টি বিদ্যমান পাঠাগারে পুস্তক সংযোজন |
১৫০.০০ |
|
|
গ. |
১০০টি মসজিদ পাঠাগারে আলমারী সরবরাহ |
৮০.০০ |
|
|
ঘ. |
৫৭৬ জন সেরা পাঠককে পুরস্কার প্রদান |
১৫.৩৬ |
|
|
ঙ. |
৪৮৬৯ জন সেরা লাইব্রেরীয়ানকে পুরস্কার প্রদান |
৩৫.৭৯ |
|
|
চ. |
৬৬৭৮ সংখ্যক সামাজিক ইস্যু আলোচনা, জাতীয় ও ধর্মীয় দিবস উদযাপন |
১৫২.৬৪ |
২০১১-২০১২ অর্থ বছরে ৪৬০০.০০ লক্ষ টাকা ব্যয় প্রাক্কলন নির্ধারণ পূর্বক একটি প্রকল্প প্রস্তাব প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত প্রত্যন্ত অঞ্চলের পাঠকগণ আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন পাঠাগারের মাধ্যমে পুস্তকাদি পাঠ করে তাদের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে। সে সাথে সরকারের গৃহিত উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমের সাথে পাঠকদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পাবে ।
৯০% মুসলিম জনসংখ্যা অধ্যূষিত বাংলাদেশে প্রায় দুই লক্ষাধিক মসজিদ রয়েছে। মসজিদগুলোতে লাইব্রেরী স্থাপনের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণ সহজেই কুরআন-হাদীস নির্ভর গ্রন্থরাজি পাঠ করে ইসলাম সম্পর্কে জানতে পারছে। ১৯৭৮-৭৯ অর্থ বছর থেকে মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়ে বর্তমানে দেশে স্থাপিত মসজিদ পাঠাগারের সংখ্যা প্রায় ২৭০০০টি। ২০০৯-২০১০ ও ২০১০-২০১১ অর্থ বছরে মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্পের অগ্রগতি চিত্র নিম্নরূপঃ
ক্রমিক |
অর্থ বছর |
বাস্তবায়িত কার্যক্রম |
ব্যয়িত অর্থের পরিমাণ |
|
০১. |
২০০৯-২০১০ |
ক. |
৮০০টি নতুন মসজিদ পাঠাগার স্থাপন |
৮০.০০ |
|
|
খ. |
২৫০০টি বিদ্যমান পাঠাগারে পুস্তক সংযোজন |
১৫০.০০ |
|
|
গ. |
১০০০টি মসজিদ পাঠাগারে আলমারী সরবরাহ |
৮০.০০ |
|
|
ঘ. |
৩৩৩৯ সংখ্যক সামাজিক ইস্যু আলোচনা, জাতীয় ও ধর্মীয় দিবস উদযাপন |
৭৬.৩২ |
০২. |
২০১০-২০১১ |
ক. |
৬০০টি নতুন মসজিদ পাঠাগার স্থাপন |
৬০.০০ |
|
|
খ. |
২৫০০টি বিদ্যমান পাঠাগারে পুস্তক সংযোজন |
১৫০.০০ |
|
|
গ. |
১০০০টি মসজিদ পাঠাগারে আলমারী সরবরাহ |
৮০.০০ |
|
|
ঘ. |
৫৭৬ জন সেরা লাইব্রেরীয়ানকে পুরস্কার প্রদান |
১৫.৩৬ |
|
|
ঙ. |
৪৮৬৯ জন সেরা পাঠককে পুরস্কার প্রদান |
৩৫.৭৯ |
|
|
চ. |
৬৬৭৮ সংখ্যক সামাজিক ইস্যু আলোচনা, জাতীয় ও ধর্মীয় দিবস উদযাপন |
১৫২.৬৪ |
২০১১-২০১২ অর্থ বছরে ৫০০০.০০ লক্ষ টাকা ব্যয় প্রাক্কলন নির্ধারণ পূর্বক একটি প্রকল্প প্রস্তাব প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত প্রত্যন্ত অঞ্চলের পাঠকগণ আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন পাঠাগারের মাধ্যমে তাদের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে।
বায়তুল মুকাররম মসজিদ সম্প্রসারন ও সৌন্দর্যকরণ প্রকল্প
রাজধানী ঢাকায় একটি বৃহৎ মসজিদ নির্মাণ এবং এর মাধ্যমে ইসলামী শিক্ষার প্রচার ও প্রসার, ইসলামী পুস্তক ও সাময়িকী প্রকাশ, মুসলিম বেকারদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, দারুল উলূম ও দারুল ইফতা প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি ব্যাপক কর্মসূচিকে সামনে রেখে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক আইন প্রশাসক মেজর জেনারেল ওমরাও খান-এর পৃষ্ঠপোষকতায় এবং আলহাজ্জ আবদুল লতিফ ইবরাহীম বাওয়ানী প্রমুখ শিল্পপতির উদ্যোগে ১৯৫৯ সালে ‘বায়তুল মুকাররম সোসাইটি’ নামক একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়। মসজিদ নির্মাণ ও উলিখিত কর্মসমূহের ব্যয়ভার নির্বাহের জন্য মসজিদ সংলগ্ন একটি মার্কেটও প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ১৯৬০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এ মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট মুহম্মদ আইয়ূব খান। বায়তুল মোকাররম কমপেক্সের নকশা প্রণয়ন করেন প্রখ্যাত স্থপতি জনাব আবুল হোসেন থারিয়ানী। সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এবং সাউদী সরকারের অর্থায়নে ৮.৩০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত সাত তলাবিশিষ্ট এ মসজিদের শোভাবর্ধন এবং উন্নয়নের কাজ এখনও অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে মূল মসজিদ এবং উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব সাহান মিলিয়ে সর্বমোট পর্য়ত্রিশ সহস্রাধিক মুসলী একত্রে নামায আদায় করতে পারেন। মসজিদের অভ্যন্তরে ওযুর ব্যবস্থাসহ মহিলাদের জন্য পৃথক নামায কক্ষ ও পাঠাগার রয়েছে। মসজিদের নিচ তলায় রয়েছে একটি বৃহত্তর মার্কেট কমপেক্স। বর্তমানে রাজকীয় সৌদি সরকারের অর্থায়নে মসজিদ সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্যকরণের কাজ সমাপ্তির পথে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন উন্নয়ন প্রকল্প ও রাজস্ব খাতভুক্ত কর্মসূচি:
ক. চলমান প্রকল্পঃ
১. মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৫ম পর্যায়) প্রকল্প ।
২. মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্প (৬ষ্ঠ পর্যায়)।
৩. ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণ প্রকল্প (সংশোধিত)।
৪. লিডার্স অব ইনফ্লুয়েন্স (এল.ও.আই)।
৫. ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম ডিজিটালে রূপান্তর এবং ডিজিটাল আর্কাইভ স্থাপন।
খ. নতুন প্রকল্পঃ
- ঝালকাঠী ইসলামিক মিশন কমপেক্স নির্মাণ প্রকল্প।
- ইসলামিক মিশন কমপেক্স নির্মাণ প্রকল্প (ফতুলা, নারায়ণগঞ্জ)।
- বঙ্গবন্ধু শিশু মঞ্চ প্রকল্প।
- ইসলামী প্রকাশনা কার্যক্রম প্রকল্প।
- ‘‘গোপালগঞ্জ ইসলামিক মিশন স্বাস্থ্য সেবা এবং ইমাম প্রশিক্ষণ কমপেক্স স্থাপন’’শীর্ষক প্রকল্প।
- ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জেলা ও বিভাগীয় কার্যালয়ের ভবন নির্মাণ(২য় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্প।
- সোলার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গাকরণ প্রকল্প।
গ. সম্ভাব্য বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্পঃ
- প্রাইমারী স্কুলভিত্তিক ধর্মীয় ও নৈতিকতা উন্নয়ন শিক্ষা প্রকল্প।
- আলেমদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে যাকাত-উশর আদায় ও বিতরণের মাধ্যমে দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রকল্প।
ঘ. রাজস্ব বাজেটের আওতায় গৃহিতব্য কর্মসূচিঃ
- সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ দমন এবং ইসলামের আলোকে সামাজিক সমস্যা সমাধান।
- ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয় ও ৭টি বিভাগের নিজস্ব ভবনে সোলার প্যানেল স্থাপন কর্মসূচি।
- ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অর্থ ও হিসাব, ইসলামিক মিশন ও ইমাম প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সুসংহত ও জোরদারকরণ।
- বায়তুল মোকাররম মসজিদ শীতলীকরণ কর্মসূচি।
- সৌদী সরকারের সাথে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে বাস্তবায়নযোগ্য কর্মসূচি।
- চলমান প্রকল্পের তালিকাঃ
- প্রক্রিয়াধীন প্রকল্পঃ
- ‘‘গোপালগঞ্জ ইসলামিক মিশন স্বাস্থ্য সেবা এবং ইমাম প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্স স্থাপন’’ শীর্ষক প্রকল্প।
- ইসলামিক ফাউন্ডেশন লাইব্রেরী সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণ প্রকল্প।
- বঙ্গবন্ধু শিশুমঞ্চ প্রকল্প।
- প্রাথমিক বিদ্যালয় ভিত্তিক নৈতিকতা উন্নয়ন প্রকল্প।
- সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ দমন এবং ইসলামের আলোকে সামাজিক সমস্যা সমাধান কর্মসূচী ও
- ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয় ও ৭টি বিভাগের নিজস্ব ভবনে সোলার প্যানেল স্থাপন কর্মসূচি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ২০১০-১১ অর্থ বছরে
বাস্তবায়িত অনুষ্ঠান বিবরনী
(উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়)
ক্রমিক নং |
অনুষ্ঠান বাস্তবায়নকারী বিভাগের নাম |
অনুষ্ঠানের নাম |
উপজেলা (৪৮৬টি) |
জেলা |
বিভাগ (৭টি) |
জাতীয় পর্যায় |
মোট অনুষ্ঠান |
১. |
সমন্বয় বিভাগ |
১.জাতীয় ও ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবস পালন |
- |
৮৩২টি |
- |
- |
|
২.পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা) |
- |
১৯২টি |
১৪টি |
- |
|
||
৩. তাফসীর মাহফিল |
৪৮৬টি |
১৯২টি |
৬৩টি |
- |
|
||
৪. ইসলামের মৌলিক শিক্ষা বিষয়ক |
- |
১২৮টি |
- |
- |
|
||
৫. যুব মহিলা অনুষ্ঠান |
- |
১৯২টি |
- |
- |
|
||
৬. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক অনুষ্ঠান |
৪৮৬টি |
৬৪টি |
- |
- |
৪,৭০৬টি |
||
৭. দেওয়াল পত্রিকা |
- |
৩৮৪টি |
- |
- |
|
||
৮. জাতীয় শিশু বিষয়ক প্রতিযোগিতা |
৪৮৬টি |
৬৪টি |
৭টি |
১টি |
|
||
৯.জাতীয় হিফজ প্রতিযোগিতা |
৪৮৬টি |
৬৪টি |
৭টি |
- |
|
||
১০. ১৭ই মার্চ জাতীয় শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতা |
৪৮৬টি |
- |
- |
- |
|
||
১১. রচনা প্রতিযোগিতা |
- |
৬৪টি |
৭টি |
১টি |
|
মোট |
২,৪৩০টি |
২১৭৬টি |
৯৮টি |
২টি |
|
২. |
মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্প |
১. স্বাধীনতা দিবস |
৪৮৬টি |
- |
- |
- |
|
২. ঈদে মিলাদুন্নবী (সা) |
৪৮৬টি |
- |
- |
- |
|
||
৩. জঙ্গিবাদ ও যৌতুক |
৯৭২টি |
- |
- |
- |
২,৪৩০টি |
||
৪. সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান |
৪৮৬টি |
- |
- |
- |
|
||
মোট |
২,৪৩০টি |
-- |
- |
- |
|
৩. |
মসজিদভিত্তিক |
১. মাসিক সমন্বয় সভা |
৫৮৩২টি |
- |
- |
- |
|
২. পুরস্কার বিতরণ |
৪৮৬টি |
৬৪টি |
- |
- |
৭,৩৫৪টি |
||
৩. শিক্ষক প্রশিক্ষণ কোর্স |
৯৭২টি |
- |
- |
- |
|
||
মোট |
৭,২৯০টি |
৬৪টি |
- |
- |
|
৪. |
ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী |
১. নিয়মিত প্রশি্কষণ কোর্স |
- |
৩২টি |
- |
- |
|
২. রিফ্রেসার্স কোর্স |
- |
১৪টি |
- |
- |
৭৮টি |
||
৩. এলওআই কর্তৃক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি |
- |
৩০টি |
- |
- |
|
||
মোট |
- |
৭২টি |
- |
- |
|
৫. |
ইসলামিক মিশন |
১. কুরআন শিক্ষার কার্যক্রম |
৩১০টি |
- |
- |
- |
|
২. জাতীয় ধর্মীয় দিবস |
৩৭২টি |
- |
- |
- |
|
||
৩. ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা) |
৩১টি |
- |
- |
- |
|
||
৪. মক্তবের জন্য অনুষ্ঠান |
৩১০টি |
- |
- |
- |
|
||
৫. ১০টি স্কুলভিত্তিক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান |
৩১টি |
- |
- |
- |
|
||
৬. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান |
৩১টি |
- |
- |
- |
১,৪৮৮টি |
||
৭. স্কুলভিত্তিক কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান |
৩১টি |
- |
- |
- |
|
||
৮.পবিত্র রমযান মাসে তাফসির মাহফিল |
১৫৫টি |
- |
- |
- |
|
||
৯. উদ্বুদ্ধকরণ মাহফিল |
১৮৬টি |
- |
- |
- |
|
||
১০. মাদকাসক্ত যৌতুকবিহীন অনুষ্ঠান |
৩১টি |
- |
- |
- |
|
||
মোট |
১,৪৮৮টি |
- |
- |
- |
|
৬. |
সানব সম্পদ |
১.আন্তঃধর্মীয় সভা |
- |
- |
৬টি |
- |
|
২. ইমাম প্রশিক্ষণ |
- |
- |
২১টি |
|
|
||
৩. মহিলা প্রশিক্ষণ |
- |
১৫টি |
- |
- |
|
||
৪. পরামর্শক সভা |
১২৮টি |
- |
- |
- |
২৫০টি |
||
৫. মসজিদ পরিচালনা কমিটির প্রতিনিধি প্রশিক্ষণ |
- |
১৫টি |
- |
- |
|
||
৬. কোন লিডার ট্রেনিং |
- |
৬৪টি |
- |
- |
|
||
৭. জাতীয় সম্মেলন |
- |
- |
১টি |
- |
|
||
মোট |
১২৮টি |
৯৪টি |
২৮টি |
১টি |
|
৭. |
দ্বীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগ |
১. ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবস |
- |
- |
- |
৩২টি |
|
২. বিভিন্ন মনীষীদের জীবনী আলোচনা |
- |
- |
- |
- |
৩২টি |
||
৩. আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার প্রার্থী বাছাই |
- |
- |
- |
- |
৩২টি |
||
৪. বিষয়ভিত্তিক ওয়াজ মাহফিল |
- |
- |
- |
- |
৬টি |
||
৫. আরবী ভাষা শিক্ষাদান ক্লাশ |
- |
- |
- |
- |
৮৪টি |
||
৬. ফতোয়া প্রদান |
- |
- |
- |
- |
১১৫টি |
||
৭. দোয়া মাহফিল |
- |
- |
- |
- |
১৩০টি |
||
৮. ঈদে মিলাদুন্নবী (সা) উদযাপন উপলক্ষে উদ্বোধনী, আলোচনা, ওয়াজ মাহফিল, সেমিনার, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, কবিতা ও ক্বিরাত প্রতিযোগিতা |
|
|
|
|
|
||
৯. সেমিনার অনুষ্ঠান |
- |
- |
- |
- |
৫৫টি |
||
১০. তাফসীর মাহফিল |
- |
- |
- |
- |
২৫টি |
||
১১. দরসে হাদিস মাহফিল |
- |
- |
- |
- |
১০৪টি |
||
১২. ফাযায়েল মাসায়েল |
- |
- |
- |
- |
৯৯টি |
||
১৩. চঁাদ দেখা কমিটির সভার আয়োজন |
- |
- |
- |
- |
১২টি |
||
১৪. মহিলাদের স্কুল প্রোগ্রাম |
- |
- |
- |
- |
৫০টি |
||
১৫. ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতীয় ও ক্বিরাত প্রতিযোগিতা |
- |
- |
- |
- |
১টি |
||
১৬. অন্যান্য (সরকারী নির্দেশিত বিভিন্ন কর্মসূচি) |
- |
- |
- |
- |
২৫টি |
||
সর্বমোট |
- |
- |
- |
- |
১৭,৩০৩টি |
`
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭।
বর্তমান সরকারের ৩ বছরের সাফল্যের উপর ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর কার্যক্রম সম্পর্কিত প্রতিবেদনঃ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধিবদ্ধ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। ইসলামের প্রচার-প্রসারের লক্ষ্যে বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ২২ মার্চ এক অধ্যাদেশবলে ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেন।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর বোর্ড অব গভর্নরস এর চেয়ারম্যান এবং ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী বিভিন্ন কার্যক্রম ১২টি বিভাগ, ৪টি বিভাগীয় ও ৬৪টি জেলা কার্যালয়, ৭টি ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী, ৩৩ টি ইসলামিক মিশন কেন্দ্র এবং ৯টি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
সমন্বয় বিভাগঃ
সমন্বয় বিভাগ ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। সমন্বয় বিভাগের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা বাস্তবায়ন করা, জেলা কার্যালয়ের জন্য ভবন নির্মাণ/জমিক্রয়/এতদসংক্রান্ত মামলা-মোকদ্দমা তদারকী করা হয়। উক্ত বিভাগের তদারকীতে উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ে জাতীয় শিশু-কিশোর সাং&স্কৃতিক প্রতিযোগিতা ৩টি গ্রুপে ৭টি বিষয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিশু-কিশোরদের মাঝে জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার প্রদান করে থাকেন। ২০০৭,২০০৮ ও ২০০৯ সালে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হলেও জাতীয় পর্যায়ে উক্ত ৩ বছরের প্রতিযোগিতা ২০১০ সালে অনুষ্ঠিত হয়। ৩টি গ্রুপে ৭টি বিষয়ে ২৪০টি পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২১ ডিসেম্বর ২০১০ ইং তারিখে উক্ত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে Championship Trophy বিতরণ করেন। এছাড়া ১৬৬৪টি জাতীয় ও ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবস, ৩৮৪টি মহিলা অনুষ্ঠান, ২০৪৮টি তাফসীর মাহফিল, ১৭৯২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন করেছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ও শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ৩৩২৮টি অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
পরিকল্পনা বিভাগঃ
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে পরিচালিত সেবাসমূহ ই-সেবায় রূপান্তর করার জন্য ‘‘ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম ডিজিটালে রূপান্তর ও ডিজিটাল আর্কাইভ স্থাপন’’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিদ্যমান ওয়েবসাইটকে ডায়নামিক ওয়েব সাইটে রূপান্তরের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। মাজার, মসজিদ ও ইমাম প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত তথ্য সমন্বিত ডাটা বেইজ সফ্টওয়ার তৈরীর কাজ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন আছে। পরিকল্পনা বিভাগের মাধ্যমে চিঠিপত্র/তথ্যাদি আদান প্রদানের জন্য ২টি ই-মেইল খোলা হয়েছে।
ই-মেইল দুটির ঠিকানাটি হলোঃ ifbplanning@yahoo.com ও ifbplanning@google.com.
গবেষণা বিভাগঃ
গবেষণা বিভাগের মাধ্যমে ইসলামের মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং কুরআন ও হাদীস সম্পর্কে গবেষণাকর্ম পরিচালনা ও প্রকাশ, গবেষণালব্ধ বিষয়াবলি পুস্তকাকারে প্রকাশ এবং গবেষণামূলক বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এ বিভাগের অন্যতম প্রধান কাজ। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইসলামের প্রচার ও প্রসারের ইতিহাস,দেশবরেণ্য সাহিত্যিক ও ইসলামী চিন্তাবিদগণের জীবন ও কর্ম, আল-কুরআনে অর্থনীতি, Scientific Indications in the Holy Quran, Muslim Contribution to Science & Technologyসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মূল্যবান গ্রন্থ গবেষণা বিভাগের মাধ্যমে ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম, ছোটদের বিশ্বকোষ, বিধিবদ্ধ ইসলামী আইন, আল-কুরআনের বিষয়ভিত্তিক আয়াত, জরুরী ফাতাওয়া ও মাসাইল শীর্ষক গ্রন্থ এর মধ্যে অন্যতম। এ ছাড়া হাদীস ও সামাজিক বিজ্ঞান, হাদীসের আলোকে হানাফী মাযহাবের তত্ত্ব ও দর্শন সম্পর্কিত মাসাইলে আহনাফ, আরবী-বাংলা ও বাংলা-আরবী অভিধান প্রণয়নসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে। গবেষণা বিভাগ থেকে বিভিন্ন বিষয়ে এ পর্যন্ত ১২০টি গ্রন্থপ্রকাশিত হয়েছে।
ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমীঃ
ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমীর মাধ্যমে মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনগণকে ইসলামের মৌলিক বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান দানের পাশাপাশি গণশিক্ষা, পরিবার কল্যাণ, কৃষি ও বনায়ন, পশু-পাখি পালন ও মৎস্য চাষ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও প্রাথমিক চিকিৎসা, বৃক্ষরোপণ ও গবাদি পশু চিকিৎসা ইত্যাদি বিষয়ে ৪৫ দিনের প্রশিক্ষণ প্রদান করে। উল্লেখিত প্রশিক্ষণ ছাড়াও ইউএনএফপিএ-এর অর্থানুকুল্যে ‘মানব সম্পদ উন্নয়নে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্তকরণ’ প্রকল্পের আওতায় স্বাস্থ্যপ্রজনন, শিশু ও মাতৃমঙ্গল, এইডস প্রতিরোধ, সন্ত্রাস, যৌতুক বিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি, জেন্ডার ইকুইট ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। ৭টি কেন্দ্রের মাধ্যমে মোট ৬৬৩২৭ জন ইমামকে রিফ্রেসার্স কোর্সে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীকে অফিস ব্যবস্থাপনা এবং নৈতিকমান উন্নয়নের লক্ষ্যে এ পর্যন্ত মোট ১,১০০ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। ১,৪৮০ জন ইমাম, মাদ্রাসার ছাত্র ও বেকার যুবককে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে এবং ৩০,০৪৮ জন ইমামকে মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমীর আওতায় বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে অক্টোবর ২০১১ পর্যন্ত ১,৪৬,৪৫৫ জন ইমামকে বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। ২০ জানুয়ারী ২০১০ ও ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১১ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত জাতীয় ইমাম সম্মেলনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্টঃ
USAID-এর অর্থায়নে দি এশিয়া ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ১৫,০০১ জন ইমামকে লিডার্স অব উনফ্লুয়েন্স (LOI) প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। উপরোক্ত বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণের আওতায় ১,৩৫,১২২ জন ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। দেশের যে কোন মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিন মাসিক ১০/-(দশ) টাকা হারে চঁাদা দিয়ে এ ট্রাস্টের সদস্য হতে পারেন। ট্রাস্ট ফান্ডের লভ্যাংশ থেকে এ যাবত সুদমুক্ত ঋণ হিসেবে ৩৯৩ জন ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে ৩৫,১৭,৫০০/- টাকা এবং এককালীন সাহায্য হিসেবে ৬০৯ জন ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে ৩৪,৫৮,০০০/- টাকা বিতরণ করা হয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ‘মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা’ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীঃ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের উপর গবেষণাসহ সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ইসলামী জ্ঞান বিকাশের সুযোগ-সবিধা সৃষ্টির লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন লাইব্রেরীর কার্যক্রম শুরু হয়। লাইব্রেরীতে অটোমেশন কার্যক্রম অর্থাৎ কম্পিউটারের মাধ্যমে যাবতীয় লাইব্রেরী সেবা প্রদানের জন্য একটি প্রকল্প বাস্তাবায়ন করা হচ্ছে তাছাড়া লাইব্রেরীকে দেশ-বিদেশের পাঠকদের নাগালে পেঁŠছানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে । ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যে-কোন পাঠক ইন্টারনেট-এর মাধ্যমে লাইব্রেরী সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। বর্তমানে মহিলা, শিশু, অন্ধ, প্রতিবন্ধী ও বয়োবৃদ্ধ পাঠকদের জন্য বিদ্যমান ভবনের ৪র্থ তলার উপরে ৫ম তলার নির্মাণসহ আর্চ নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। প্রকল্পের আওতায় লাইব্রেরীর নতুন ভবনে ১টি লিফট্ ও ১টি জেনারেটর স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মজুদ পুস্তক সংখ্যা মোট ১,১২,১৫৮ টি।
ইসলামিক মিশন বিভাগঃ
ইসলামের প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে দেশের দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ৩০টি জেলায় ৩৩টি মিশন কেন্দ্রের মাধ্যমে উল্লেখিত কর্মসূচিসমূহ বাস্তবায়িত হচ্ছে। তম্মধ্যে বর্তমান সরকারের আমলে ৪টি নতুন মিশন কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইসলামিক মিশন বিভাগ বিগত ৩ বছরে ৩১টি মিশন কেন্দ্রের মাধ্যমে ২০ লক্ষ ৬৮ হাজার রোগীকে এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা এবং ৫ লক্ষ ১১ হাজার রোগীকে ঔষধসহ হোমিও চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। প্রতিটি মিশন কেন্দ্রের অধীনে ১০টি করে আদর্শ মক্তবের মাধ্যমে ১ লক্ষ ৫৮ হাজার শিক্ষার্থীকে কুরআন শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা ও অংক শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া জাতীয়, ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবস উপলক্ষে এবং ইসলামী জীবন আদর্শে উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে ১ লক্ষ ৭২ হাজার অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
দ্বীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগঃ
ইসলামের শিক্ষা, আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রচার ও প্রসার, বিগত ৩ বছরে ১ হাজার ৭ শতটি ধর্মীয় ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবস, ৩ শত ৮৫টি মহিলা অনুষ্ঠান, ২ হাজার তাফসীর মাহফিল, ১ হাজার ৮ শত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক অনুষ্ঠান, ১ হাজার ১ শত শিশু কিশোর প্রতিযোগিতা, অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ছাড়া জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ও শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ৩ হাজার ৩ শত ২৮টি রচনা , সাংস্কৃতিক ও কুইজ প্রতিযোগিতা এবং দোয়ার মাহফিল বাস্তবায়ন করা হয়েছে। যৌতুকের বিরুদ্ধে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে ১ শত ২৮টি অনুষ্ঠান, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে ৬ হাজার ১ শত ৫০টি প্রাক-খুতবা আলোচনা এবং নারী অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় ৩ হাজার ৭২টি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২২ মার্চ ২০১১ ইং তারিখে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৩৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয। উক্ত অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশনা বিভাগঃ
ইসলামের মৌলিক বিষয়াবলি, কুরআন, ও কুরআন সম্পর্কিত, মহানবী (সা)-এর সীরাত ও হাদীস সম্পর্কিত, ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য, ইসলামের আইন, তাফসীর, কুরআন, হাদীস, দর্শন, মুসলিম মনীষীদের জীবনী, ইসলামী অর্থনীতি, নারী, যৌতুক, মানবাধিকার ও শিশু-কিশোর উপযোগী চরিত্র গঠনমূলক সাহিত্য ইত্যাদি বিষয়ে পুস্তক প্রকাশের মাধ্যমে ইসলামী আদর্শ, মূল্যবোধ ও শিক্ষার প্রচার ও প্রসার এ বিভাগের প্রধান কাজ। এ উদ্দেশ্যে প্রকাশনা বিভাগ এ পর্যন্ত ৩,৩০০ শিরোনামের পুস্তক প্রকাশ করেছে। সেই সঙ্গে এ বিভাগ থেকে ‘অগ্রপথিক’ ও ‘সবুজ পাতা’ নামে দু’টি মাসিক পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশ হয়ে আসছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত পুস্তকের চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে পুনর্মুদ্রণের হারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতিমধ্যে কুরআনুল করীমের বাংলা অনুবাদের ৪৮তম সংস্করণ মুদ্রিত হয়েছে। তাফসীর, সীরাত, জীবনীগ্রন্থ, ইসলামের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও শিশুতোষ গ্রন্থগুলো ২ থেকে ২০ বার পর্যন্ত এই বিভাগ থেকে পুনর্মুদ্রণ হয়েছে।
মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পঃ
মসজিদ ভিত্তিক মিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর গুরুত্বপূর্ণ একটি বৃহৎ প্রকল্প। এই প্রকল্পের ৫ম পর্যায়ে প্রকল্পটি ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ৬৪৩.০০ কোটি টাকা ব্যয়ে গৃহীত হয়েছে। এতে ৫২,৮৬,০০০ শিক্ষার্থীর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণপূর্বক ৬৪৩.৫৫ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন হয়ে বর্তমানে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই প্রকল্পের আওতায় দেশের মোট ৪৮৫টি উপজেলায় ২৪০০০ প্রাক-প্রাথমিক, ৭৬৮টি বয়স্ক কেন্দ্র, ১২০০০ কুরআন শিক্ষা কেন্দ্র, ১০৫১টি সাধারণ রিসোর্স সেন্টার, ৪৮৫টি মডেল রিসোর্স সেন্টার বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বিগত দুই বছরে ২০১০ সাল পর্যন্ত ২০,০০০ টি প্রাক-প্রাথমিক কেন্দ্রের মাধ্যমে ১১,৭০,০০০ জন (৩৮%) শিশু শিক্ষার্থীকে (ডিসেম্বর-২০১০ পর্যন্ত), ১২,০০০ টি কুরআন শিক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে ৮,৪০,০০০ জন (৪০%) স্কুল পড়ুয়া ও ঝরেপড়া শিক্ষার্থীকে (জুলাই-২০১০ - জুন-২০১১ শিক্ষাবর্ষের চলমান শিক্ষার্থীসহ) এবং ৭৬৮টি বয়স্ক কেন্দ্রের মাধ্যমে ৩৮,৪০০ জন (৪০%) বয়স্ক শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে।
অনুবাদ ও সংকলন বিভাগঃ
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অনুবাদ বিভাগ এ যাবৎ পবিত্র আল কুরআনুল করীমসহ তাফসীর, হাদীস, সীরাতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ), জীবনীগ্রস্থ, ইসলামী আদর্শ ও ধর্মতত্ব, অর্থনীতি, আইন, দর্শন, সমাজনীতি, সাহিত্য ও সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য, শিশু সাহিত্য, ইত্যাদি বিষয়ে প্রায় ৩৬১টি গ্রন্থ অনুবাদ ও প্রকাশ করেছে। এই গ্রন্থগুলোর অধিকাংশই হলো মৌলিক গ্রন্থ ও রেফারেন্স গ্রন্থ।
ইসলামী বিশ্বকোষ বিভাগঃ
দেশের প্রখ্যাত ও প্রথিতযশা ইসলামী চিন্তাবিদ, আলিম, বিজ্ঞানী গবেষক, শিক্ষক, ও দেশবরেণ্য বৃদ্ধিজীবীগণ কর্তৃক মৌলিকভাবে লিখিত, অন্য ভাষা থেকে অনূদিত ও সম্পাদিত ইসলাম সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় বিষয়াবলি সম্বলিত বাংলায় ইসলামী বিশ্বকোষ প্রকাশের লক্ষ্যে ‘ইসলামী বিশ্বকোষ প্রকল্প’ সংক্ষিপ্ত ইসলামী বিশ্বকোষসহ ২৮ খন্ডে সমাপ্ত বৃহত্তর ইসলামী বিশ্বকোষ ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। ইসলামী বিশ্বকোষ দ্বিতীয় সংস্করণের এর ৭টি খন্ড ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। ‘সীরাত বিশ্বকোষ’ নামে ২২ খন্ডে সমাপ্য আরেকটি প্রকল্পের কাজ চলছে। ইতিমধ্যে এ কার্যক্রমের আওতায় ১৪টি খন্ড প্রকাশিত হয়েছে এবং অন্যান্য খন্ড শীঘ্রই প্রকাশিত হবে। ‘আল-কুরআন বিশ্বকোষ’ শিরোনামে মোট ১০ খন্ডে সমাপ্য আরো একটি বিশ্বকোষ প্রণয়নের কাজ চলছে। এ বছর ৩টি খন্ড প্রকাশিত হবে।
মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্পঃ
মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত সারাদেশে ২৫,১৩২টি মসজিদ পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৪,৩০০টি বিদ্যমান পাঠাগারে পুস্তক সংযোজন করা হয়েছে এবং ৬,১০০টি পাঠাগারে পুস্তক সংরক্ষণের জন্র আলমারি ও শোকেস প্রদান করা হয়েছে। তন্মধ্যে ৬৪টি জেলায় ৬৪টি ‘মডেল পাঠাগার’ এবং ৪৭৭টি উপজেলায় ‘উপজেলা মসজিদ পাঠাগার’ স্থাপন করা হয়েছে। ২০১০-২০১১ অর্থ বছরে প্রকল্পের জন্র এডিপি বরাদ্দ ১,২৭৬.০০ লক্ষ টাকা। ২০১০-২০১১ অর্থ বছরে আরও ৬০০টি নতুন পাঠাগার স্থাপন, ২৫০০টি বিদ্যমান পাঠাগারে পুস্তক সংযোজন এবং ৮৫০টি পাঠাগারে শোকেস প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বায়তুল মোকাররম মসজিদঃ
সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এবং সৌদিসরকারের অর্থায়নে ৮.৩০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত সাত তলাবিশিষ্টএ মসজিদের শোভা বর্ধন এবং উন্নয়নের কাজ এখনও অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে মূলমসজিদ এবং উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব সাহান মিলিয়ে সর্বমোট পঁয়ত্রিশ সহস্রাধিক মুসল্লী একত্রে নামায আদায় করতে পারেন। বর্তমানে রাজকীয় সৌদি সরকারের অর্থায়নে মসজিদ সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিকরণের কাজ সমাপ্তির পথে।
মসজিদ শাখার তথ্যঃ
১। বিগত ২৯/০১/২০০৯ তারিখে বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ দিকের সাহান, সুদর্শন মিনার, নিচতলাস্থ মহিলাদের জন্য নামাযের জায়গা, বেইজমেন্ট ফ্লোর ইত্যাদি স্থাপনা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক শুভ উদ্বোধন করা হয় এবং মুসল্লীদের ব্যবহারের জন্যে তা উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।
২। বিগত ২০০৯ থেকে ২০১১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বায়তুল মোকাররম মসজিদে শবে কদর উদযাপন করা হচ্ছে। যা পূর্বে কখনও উদযাপন করা হয়নি। এ বছর রমজানে শবে কদর উপলক্ষে বিশেষ কিরাত মাহফিলের আয়োজন করা হয়। যা বাংলাদেশ টেলিভিশন রাত ১০.৩০ থেকে ১১.৩০ পর্যন্ত সরাসরি (লাইভ) সম্প্রচার করে।
৩। পবিত্র রমযানের ২০ তারিখ থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত রাত ১২.৩০ মিনিট থেকে ৩.৩০ মিনিট পর্যন্ত কিয়ামুল লাইল সালাত অনুষ্ঠিত হয়। এ নামাযে তিনজন অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োজিত হাফেজ ৭ দিনে পবিত্র কুরআনের এক খতম সম্পন্ন করেন। বিগত ২০১০ খ্রিস্টাব্দ হতে এ বিশেষ ধরনের সালাত চালু করা হয়েছে। তৎপূর্বে এ ধরনের কোন সালাত আদায়ের ব্যবস্থা ছিল না।
বর্তমানে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক নিম্নোক্ত উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ ও রাজস্ব খাতভূক্তকর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছেঃ
১. মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্প।
২. ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম ডিজিটালে রূপান্তর এবং ডিজিটাল আর্কাইভ স্থাপন প্রকল্প।
৩. ইসলামিক মিশন হাসপাতাল কমপ্লেক্স (ঝালকাঠি ও ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ) নির্মাণ প্রকল্প।
১. ইসলামী প্রকাশনা কার্যক্রম প্রকল্প।
৩. ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জেলা ও বিভাগীয় কার্যালয়ের ভবন নির্মাণ (২য় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্প।
৪. সোলার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গাকরণ প্রকল্প।
৫. মসজিদ পাঠাগার সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্প।
গ. রাজস্ব বাজেটের আওতায় চলমান কর্মসূচিঃ


